Published : 07 Jun 2026, 11:04 PM
একাধিকবার হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট নিয়ে নিজের বড় স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার দিনে সেই কথাই নতুন করে শোনালেন তিনি। বিসিবি নির্বাচনে জয়ী হয়েই বললেন, এটাই তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। পূর্বাচলে আগের নয় নতুন পরিকল্পনায় এইচপি সেন্টার নির্মাণ করতে চান দেশের সাবেক এই অধিনায়ক।
সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সময় পূর্বাচলে বড় পরিসরে নিজস্ব অর্থায়নে স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল বিসিবির। অস্ট্রেলিয়ান প্রতিষ্ঠান পপুলাসের নকশায় পরিপূর্ণ একটি কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল, যেটির মধ্যে ছিল এইচপি সেন্টারও। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিসিবিতে রদবদলে থমকে গেছে সেই পরিকল্পনা।
এরপর ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরোনো নকশায় পূর্বাচল স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে নকশা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন দুজনই। সেসব পরিকল্পনা আর বাস্তবরূপ দেখেনি।
রোববার নির্বাচনে জয়ী হয়ে সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে তামিম ইকবাল জানান, অস্ট্রেলিয়ান পপুলাসের সঙ্গে আলোচনা করে নকশায় পরিবর্তন এনে সেখানে এইচপি সেন্টার নির্মাণ করতে চান। প্রাথমিকভাবে বিসিবির নিজস্ব অর্থায়নে করলেও পুরো স্টেডিয়াম নির্মাণে সরকারের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান।
“হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের কথাটা বলি। অবশ্যই এটা আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। এটা নিয়ে ছোট যদি আপডেট দেই, বেশ কয়েক বছর আগে পপুলাস নামের একটা কোম্পানি এটার নকশা করেছিল, স্টেডিয়ামসহ হাই পারফরম্যান্স সেন্টার। আমি যখন আমি যখন দায়িত্ব পাই, তখন নকশাটা দেখি। নকশাটা আমার খুব বেশি পছন্দ হয়নি।”
পপুলাসের সঙ্গে জুম বৈঠকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন তামিম । সেখানে নকশা পরিবর্তন করা যায় কি না, সেটা নিয়ে হয়েছিল আলোচনা। যেমন এইচপি সেন্টারের স্বপ্ন দেখেন তামিম, তেমনটা না হওয়ার কারণেই নকশা পরিবর্তন করতে চান।
“আমরা একটা বড় অঙ্কের অর্থ তাদেরকে পরিশোধ করেছি। আরও কিছু অর্থও বাকি আছে। তাদের (পপুলাসের সঙ্গে বৈঠকে) সঙ্গে আমি, ফাহিম ভাই (বিসিবি পরিচালক ফাহিম সিন্হা) ছিলেন, সিইও ছিলেন, তাদের সাথে ইতোমধ্যে একটা জুম বৈঠক করেছি। উনাদেরকে আমন্ত্রণ করেছি, উনারা যদি বাংলাদেশে আসেন, এসে এটাকে যদি একটু নতুন করে নকশা করা যায়। কারণ, যেভাবে আমি চিন্তা করি বা যেভাবে আমি স্বপ্ন দেখি, সম্ভবত (পুরোনো নকশা) সেটা এখানে হবে না।”
পুরো প্রকল্পে সরকারী সহায়তা প্রয়োজন হবে বলেও জানিয়ে রাখলেন নতুন বোর্ডপ্রধান।
“দ্রুত এই ডিজাইন নিয়ে কাজ করে, আমরা আশা করি পূর্বাচলে এই জিনিসটা আমরা শুরু করে দিতে পারব। যদি পুরো প্রজেক্টের বিষয়ে চিন্তা করেন, এখানে অনেক টাকার দরকার। ওটার জন্য আমাদের অবশ্যই সরকারের একটা বড় সমর্থনের দরকার হবে। বলতে পারেন প্রাথমিক আলোচনা আমরা শুরু করেছি।”
“অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমার যখন দেখা হয়, আমি কথাটা বলেছি। তিনি খুবই ইতিবাচক এবং জিজ্ঞাসা করেছেন কী করা লাগবে। উনি বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। আমরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে উনার কাছে আবেদন করব। এখানে এনএসসি জড়িত আছে। এনএসসির মাধ্যমেই আমরা এই জিনিসগুলো করব। আবার বলি, এটা আমার অনেক বড় স্বপ্ন।”