Published : 17 Feb 2026, 11:19 AM
মূল বোলারদের সবার ওভার তখনও বাকি। কিন্তু সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ বোলিংয়ে আনেন তিলাক ভার্মা ও রিঙ্কু সিংকে। তাদেরকে অনিয়মিত বোলার বললেও আসলে বাড়িয়ে বলা হয়। হাত ঘোরান তারা কদাচিৎ। ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই কি না তাদেরকে আনা হলো বোলিংয়ে! এখানেই পাকিস্তানের চরম অপমান দেখছেন সাবেক ব্যাটসম্যান বাসিত আলি।
বিতর্কিত ও চাঁচাছোলা মন্তব্য করে বরাবরই আলোচনায় থাকেন সাবেক এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান। এবারও ‘গেম অন হ্যায়’ শোতে আলোচনায় তিনি রাখঢাক না রেখেই বলেছেন, “সুরিয়া সবচেয়ে জোরে চড় মেরেছে তখনই, যখন বোলিংয়ে এনেছে তিলাক ভার্মা ও রিঙ্কুকে। এটিই পাকিস্তান ক্রিকেটের সত্যিকারের মান। হার্দিক পান্ডিয়া, কুলদিপ ইয়াদাভ, জাসপ্রিত বুমরাহ বা ভারুন চক্রবর্তির কথা বলছি না আমি।”
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গত রোববার কলম্বোতে পাকিস্তানের রান তাড়ায় ত্রয়োদশ ওভারে বোলিংয়ে আনা হয় তিলাক ভার্মাকে। প্রথম বলে উইকেটও পেয়ে যান তিনি। ছক্কার চেষ্টায় আউট হন শাদাব খান। পরে আরও একটি ওভার বোলিং করেন তিনি। রিঙ্কুকে আক্রমণে আনা হয় সপ্তদশ ওভারে। ম্যাচের উত্তেজনা তখন মূলত শেষ। ভারতের জয়ও নিশ্চিত। মূল বোলারদের বিশ্রাম দিয়ে তাদেরকে বোলিং করানো হয়।
এই ম্যাচের আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৭.৩ ওভার বোলিং করেছিলেন তিলাক, রিঙ্কুর অভিজ্ঞতা ছিল স্রেফ ১.৪ ওভার বোলিংয়ের।
প্রথম স্পেলের দুই ওভারের পর জাসপ্রিত বুমরাহকে আর বোলিং করানোর প্রয়োজনই মনে করেননি সুরিয়াকুমার। আকসার প্যাটেল ছাড়া কোনো বোলারই ৪ ওভারের কোটা পূরণ করেননি।