Published : 09 Aug 2025, 05:57 PM
ইংল্যান্ড সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা মোহাম্মেদ সিরাজকে নিয়ে স্তুতির জোয়ার চলছেই। এবার তাকে উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় ভাসিয়েছেন আজিঙ্কা রাহানে। টেস্ট ইতিহাসের সফলতম পেসার জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে একটি জায়গায় সিরাজের মিলের কথাও তুলে ধরেছেন ভারতীয় অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।
সিরাজের নৈপুণ্যে ওভাল টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ রানের অবিশ্বাস্য জয়ে ২-২ সমতায় অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি শেষ করে ভারত। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেওয়া পেসার দ্বিতীয় ইনিংসে ধরেন পাঁচ শিকার। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
সিরিজ জুড়েই উজ্জ্বল ছিলেন সিরাজ। পাঁচ টেস্টের সিরিজে সর্বোচ্চ ২৩ উইকেট নেওয়া বোলার তিনি। ১৯ শিকার ধরে দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ডের জশ টং।
সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে সিরাজের প্রাণশক্তি ও দলকে জেতানোর তাড়না। সিরিজে সবগুলো ম্যাচ খেলা দুই পেসারের একজন তিনি। তবে তার এক হাজার ১১৩ ডেলিভারির চেয়ে বেশি করেননি কেউ। এক হাজার ডেলিভারিও নেই কারো নামের পাশে।
টানা পাঁচ টেস্ট খেলার পরও নিজের শেষ বলটি পর্যন্ত সবটুকু উজাড় করে দেন সিরাজ। তার হার না মানা মানসিকতা নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে এখনও। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রাহানে বললেন, সবসময়ই এমন সিরাজ। ইংলিশ সাবেক পেসার অ্যান্ডারসনের মতো প্রথম বল থেকেই সেরাটা দিতে প্রস্তুত থাকেন তিনি।
“সিরাজের যে দিক আমার ভালো লাগে তা হলো, সে সবসময় লম্বা স্পেলে বোলিং করতে পছন্দ করে। এমনকি ২০২০-২১ সিরিজেও সে একই তীব্রতায় তা করতে প্রস্তুত ছিল। অস্ট্রেলিয়ায় যখন তার অভিষেক হয়, আমি তাকে দেরিতে বোলিংয়ে আনায় সে ক্ষুব্ধ হয়েছিল। তার ভেতরে এখনও সেই তেজ আছে। আর এটাই মোহাম্মেদ সিরাজের সেরাটা বের করে আনে।”
“আমরা ইংল্যান্ড সিরিজেও তাই দেখেছি। তার বোলিংয়ের যে আগ্রাসন এবং যে শক্তিতে সে বোলিং করে, প্রথম বল করার সময় থেকেই সে সর্বদা উজ্জীবিত থাকে। দুর্দান্ত একজন বোলারের এটা দারুণ একটি গুন। মাঝেমধ্যে, অন্য বোলারদের ছন্দ খুঁজে পেতে ৮ থেকে ১০ বল লাগে। কিছু বোলারদের লাগে দুই বল। কিন্তু সিরাজ সবসময় শুরু থেকেই প্রস্তুত থাকে। ঠিক জেমস অ্যান্ডারসনের মতো, সে প্রথম থেকে ছন্দে থাকে। এমনকি যখন সে স্পেলে তার অষ্টম বা নবম ওভার বোলিং করে, তখনও তার মধ্যে একই আগ্রাসন ও তীব্রতা থাকে।”