Published : 14 Mar 2026, 07:41 PM
সালমান আলি আগার প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, ম্যাচ রেফারির কক্ষে ডাক পড়বে তার। সেই অনুমানই সত্যি হলো। বাংলাদেশের বিপক্ষে রান আউট হওয়ার পর তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ করায় সাজা পেতে হচ্ছে পাকিস্তানের এই ক্রিকেটারকে।
লেভেল ১ মাত্রার অপরাধ বলে খুব কড়া শাস্তি অবশ্য পাচ্ছেন না তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করা হয়েছে ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে, পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে তার নামের পাশে।
বাংলাদেশে বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্বাভাবিকভাবে রান আউট হওয়ার পর মাঠে গ্লাভস ও হেলমেট ছুড়ে মারেন সালমান। পরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তার। মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আবার গ্লাভস ও হেলমেট ছুড়ে মারেন তিনি।
ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের জন্য আইসিসি আচরণবিধির ২.২ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয় সালমানের বিরুদ্ধে, যেখানে বলা হয়েছে “আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ক্রিকেট সরঞ্জাম বা পোশাক, মাঠের সরঞ্জাম বা জিনিপত্রের অপব্যবহার।”
মাঠের দুই আম্পায়ার এড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও তানভির আহমেদ, টিভি আম্পায়ার কুমার ধার্মাসেনা ও চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান অভিযোগ আনেন। সালমান নিজের দায় স্বীকার করেন এবং ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদের দেওয়া শাস্তির সিদ্ধান্ত মেনে নেন। তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
ম্যাচের ৩৯তম ওভারের ঘটনা সেটি। মেহেদী হাসান মিরাজের বল মিড অনের দিকে খেলেন মোহাম্মাদ রিজওয়ান। বল ধরতে ছুটে যান মিরাজ। নন-স্ট্রাইক প্রান্তে সালমান ছিলেন ক্রিজের বাইরে, সেখান থেকে চেষ্টা করেন মিরাজকে আড়াল করলে, যাতে বল লং অনের দিকে যেতে পারে। কিন্তু সালমানের পেছন থেকেই পা দিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন মিরাজ। এরপর দুজনই বল নিতে উদ্যত হন, কিন্তু মিরাজ দ্রুত বল তুলে ভেঙে দেন স্টাম্পস। তৃতীয় আম্পায়ার রান আউট দেন সালমানকে। এরপরই অমন প্রতিক্রিয়া দেখান পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।।