Published : 18 Sep 2025, 08:29 AM
হ্যাটট্রিক মানেই যে সবসময় আরাধ্য নয়, সাইম আইয়ুব নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। তার মতো এমন হ্যাটট্রিক তো চান না কেউ। পাকিস্তানের ওপেনার টানা তিন টি-টোয়েন্টিতে আউট হলেন শূন্য রানে। তরুণ বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের নাম উঠে গেল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে, শঙ্কার মুখে তিনি আরেকটি রেকর্ডের।
এবারের এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচেই প্রথম বলে আউট হয়েছিলেন সাইম। তৃতীয় ম্যাচে বুধবার প্রথম বলটি উতরে যান। কিন্তু পরের বলেই উড়িয়ে মেরে ধরা পড়েন ডিপ থার্ড ম্যানে।
৪২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারেই ৮ বার শূন্য রানের তেতো স্বাদ পেলেন। এবারের এই টানা তিন শূন্যে একটি রেকর্ডের অংশীদার এখন তিনি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে টানা তিন ইনিংসে ওপেন করে শূন্য রান করা ছয় ব্যাটসম্যানের একজন এখন সাইম।
সবার আগে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে ফ্লেচারের। এরপর সেখানে নাম ওঠে সাইমেরই পূর্বসূরী মোহাম্মাদ হাফিজের। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচে ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচে টানা শূন্যতে ফিরেছেন তিনি ইনিংস শুরু করতে নেমে।
ওপেনার হিসেবে পরে এই ব্যর্থতার স্বাক্ষী হয়েছেন ২০২২ সালে রোয়ান্ডার ইমানুয়েল সাবেরিম, গত বছর নেপালের কুশাল ভুর্তেল, থাইল্যান্ডের চালোয়েমওং চাটফাইসান ও গত জুলাইয়ে সিঙ্গাপুরের আর্নাভ মানোজ। এবার তাদের সঙ্গী হলেন সাইম।
সব পজিশন মিলিয়ে মোট ৫৬ ক্রিকেটার টানা তিনটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শূন্য রানে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে দুই দফায় এই হ্যাটট্রিক করেছেন একমাত্র শ্রীলঙ্কার দাসুন শানাকা।
সব পজিশন মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে টানা চার ইনিংসে শূন্যতে বিদায় নেওয়ার বিশ্বরেকর্ড যৌথভাবে চারজনের। এখানেও সবার আগে নাম উঠেছে এক পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানের।
২০২০ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচে শূন্যতে ফেরেন আব্দুল্লাহ শাফিক। আড়াই বছর পর দলে ফিরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে আবার আউট হন রান না করেই।
২০২৩ সালেই শাফিক সঙ্গী হিসেবে পান হংকংয়ের আনাস খানকে। পরে তুরস্কের জাফার দুরমুজ ও আইভরি কোস্টের ওউটারা জাকারিজা শূন্যর স্বাদ পান টানা চার ইনিংসে।
সাইম পরের ম্যাচে মাঠে নামবেন এই তালিকায় নাম না তোলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে।