Published : 26 Sep 2025, 02:22 PM
স্রেফ সাড়ে তিন মাসেই নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের সঙ্গে বন্ধন আবার জোড়া লাগল গ্যারি স্টেডের। নিউ জিল্যান্ডের ইতিহাসের সফলতম কোচ এবার ভিন্ন ভূমিকায় কাজ করবেন দেশের ক্রিকেটে।
নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি) হাই-পারফরম্যান্স কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন স্টেড। তার কাজ হবে ক্রিকেটার, কোচ ও হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রামকে সাপোর্ট করা। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের ক্রিকেটও থাকছে তার এই দায়িত্বে।
জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বে তার সাত বছরের অধ্যায় শেষ হয় গত জুন মাসের শুরুতে। তার কোচিংয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে নিউ জিল্যান্ড, প্রথমবারের মতো শীর্ষে উঠেছে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে। ফাইনালে খেলেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে ভারতে গিয়ে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হারিয়ে।
নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটে আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত ৫৩ বছর বয়সী এই কোচ।
“গত ৩০ বছর ধরেই নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেট আমার হৃদয়জুড়ে আছে এবং ভালোবাসার এই খেলায় অবদান রেখে যেতে পারব, আমার জন্য এটা সত্যিই স্পেশাল। কোচিং নিয়ে আমার তাড়না এখনও প্রবল এবং চেষ্টা করে যেতে চাই সবাইকে শেখাতে ও উন্নতি করাতে।”
“নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের বাইরেও কাজ করার এবং নিজের স্কিল ও অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ করে দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। আশা করি, সেই অভিজ্ঞতা আমি বয়ে আনতে পারব আমাদের ক্রিকেটীয় আবহে।”
নিউ জিল্যান্ডের বাইরে কাজ করার সেই সুযোগগুলোর একটি আন্ধ্রা প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে। ভারতের আগামী ঘরোয়া মৌসুমে রাজ্য দলটির লাল ও সাদা বলের ক্রিকেটে প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
৫ টেস্ট খেলা সাবেক এই ব্যাটসম্যান খেলা ছাড়ার পর কোচিংকে বেছে নেন পেশা হিসেবে। এনজেডসিতে তার পথচলা শুরু হয় ২০০৪ সালে ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার হিসেবে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত ছিলেন সেই দায়িত্বে। মাঝে এক বছর কাজ করেছেন বোর্ডের একাডেমিতেও।
২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ছিলেন নিউ জিল্যান্ডের মেয়েদের দলের প্রধান কোচ। তার কোচিংয়ে দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে দল। ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি কোচিং করান ঘরোয়া ক্রিকেটের দল ক্যান্টারবুরিকে। সেখানেও তার সময়টা ছিল সাফল্যে টইটম্বুর। পরে ২০১৮ সালে জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছেন গত মে পর্যন্ত।