Published : 02 Jul 2026, 10:11 AM
একজনের বয়স ৪১, আরেকজনের ৪০। পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচ। বাস্তবতা মানলে বলেই দেওয়া যায়, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপ দুজনের শেষ। প্রতিপক্ষ দলের মদ্রিচকে নিয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করলেন না পর্তুগাল কোচ রবের্ত মার্তিনেস। রোনালদোকে তিনি বয়সের গণ্ডিতে বাধতে চাইলেন না।
ক্যারিয়ারের শেষ নিয়ে, অনেক দিন ধরেই কথা শুনে যাচ্ছেন রোনালদো। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে এসে সে আলোচনা তীব্র হয়েছে আরও। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শুরুতে পর্তুগালের ১-১ ড্র ম্যাচে জালের দেখা না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, রোনালদো বর্তমান দলের বোঝা হয়ে উঠছেন কিনা।
এই মহাতারকা ছিলেন চুপ। জবাবটা তিনি দিলেন পরের ম্যাচেই, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। পর্তুগালের ৫-০ ব্যবধানের জয়ে গোলের শুরুটা করে দিলেন, ষষ্ঠ মিনিটে। এরপর ৩৯তম মিনিটে করলেন আরেক গোল। তাতে সমালোচকরা কিছুটা দমল বটে, কিন্তু কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর থেকে ফের নতুন করে তোপ দাগানো শুরু তাদের।
টরেন্টোয় শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল পাঁচটায় শেষ বত্রিশের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। এ ম্যাচের আগে যথারীতি সেই পুরান প্রশ্নের মুখে পড়লেন পর্তুগাল কোচ মার্তিনেস। তবে, এবারের প্রশ্নটা একটু ঘুরিয়ে। এই বিশ্বকাপ ক্রোয়েশিয়ার মদ্রিচ ও রোনালদোর শেষ হতে পারে কিনা? অল্প কথায় পর্তুগাল কোচ বুঝিয়ে দিলেন, অভিজ্ঞদের গুরুত্ব।
“তারা আইকন। তাদের মতো উদাহরণ থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। আশা করুন, এটা রোনালদোর লাস্ট ড্যান্স হবে না।”
দল নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা পর্তুগিজ সমর্থকদেরও শান্ত থাকার অনুরোধ করলেন মার্তিনেজ। বললেন, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে, সবটুকু নিংড়ে দিতে প্রস্তুত দলের সবাই।
“বিশ্বকাপে এমনটা হয়ই, এটা কেবল পর্তুগালে নয়, সব দেশে (সমর্থকরা উদ্বিগ্ন থাকেন)। সব ম্যাচই খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়। লড়াই করার এবং শেষ পর্যন্ত সবটুকু নিংড়ে দেওয়ার মানসিকতা দলের মধ্যে আছে। নিশ্চিন্ত থাকুন, সবটুকু ঢেলে দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত।”