Published : 02 Jul 2026, 10:43 AM
প্রতিপক্ষ দলের আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো মহাতারকা। বয়সের ভারে ধার কিছুটা কমলেও, এখনও চোখের পলকে তিনি গড়ে দিতে পারেন ম্যাচের ভাগ্য। রোনালদো ছাড়াও পর্তুগাল দলে ম্যাচের নির্ণায়ক হয়ে ওঠা খেলোয়াড়ের কমতি নেই। ক্রোয়েশিয়া গোলকিপার ডমিনিক লিভাকোভিচ তাই বললেন, পর্তুগাল বাধা পেরুতে, তারা খেলবেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে অবশ্য দুই দলের কেউই সেভাবে দেখাতে পারেননি দাপট। দুই দলই গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে উঠে এসেছে নকআউট পর্বে। টরেন্টোয় বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৫টায় শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ছয় গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে ৪-২ ব্যবধানে হেরে, বিশ্বকাপ শুরু করে ক্রোয়েশিয়া। ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ দলটি পরে ঘানা ও পানামাকে হারায়। দলের প্রয়োজনের সময়, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণ সব সেভ করার অতীত আছে লিভাকোভিচের। তবে, পর্তুগালকে হারাতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন দেখছেন তিনি।
“প্রথমত এবং সবার আগে যেটা বলতে চাই, আমরা ঐক্যবদ্ধ একটা ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দল। এখানে সবাই পরস্পরকে সাহায্য করার জন্য এবং সেটা আমার বেলায়ও প্রযোজ্য। আমি সবসময় নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি, যাতে শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই একসাথে উদযাপন করতে পারি।”
চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালে ওঠার পথে জাপান ও ব্রাজিলকে হারিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। পোস্টে আলো ছড়িয়েছিলেন লিভাকোভিচ, ব্রাজিলের বিপক্ষে টাইব্রেকারে রদ্রিগোর শট আটকেছিলেন তিনি। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতিও আওড়ালেন তিনি।
“জাপান ও ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের সময় এবং পরে যে, আবেগ আমরা অনুভব করছিলাম, সেটা ছিল অপূর্ব। জাপানের বিপক্ষে জয় এবং পরের উদযাপন আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে সেটা ফুটে উঠেছিল, দল হিসেবে আমরা দুর্দান্ত খেলেছিলাম। আজীবন এই স্মৃতিগুলো সঙ্গে থাকবে।”
গতবার জাপান ও ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। চলতি আসরে এরই মধ্যে শেষ বত্রিশের একাধিক ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে টাইব্রেকারে। শুট আউটের সময় গোলকিপারদের মনের অবস্থা কেমন হয়, সেটাও জানালেন লিভাকোভিচ।
“এগুলোর সব মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে। এ ধরনের ম্যাচে আগে, আমি অবশ্যই খুবই স্নায়ুর চাপে থাকি। কিন্তু, খেলা শুরু হওয়ার সাথে সাথে স্থির হয়ে যাই। এরপর আমি যেটা সবচেয়ে ভালোবাসি, সেটাই করি- ফুটবল খেলা এবং ক্রোয়েশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করা। ওই ধরনের মুহূর্তে, আপনাকে ইতিবাচকই থাকতে হবে।”