Published : 25 Dec 2025, 03:24 PM
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ক্রিকেটাররা তখন অনুশীলন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সবে। কিন্তু খালেদ মাহমুদের গন্তব্য তখন ভিন্ন। নোয়াখালীর কোচ ততক্ষণে হাঁটা দিয়েছেন মাঠের বাইরের দিকে! তাকে ঘিরে সংবাদকর্মীদের জটলা তৈরি হয়ে গেল। ছুটে গেল একের পর এক প্রশ্ন। কিন্তু সহকারী কোচ তালহা জোবায়েরকে নিয়ে খালেদ মাহমুদ চেপে বসলেন একটি সিএনজি অটোরিকশায়।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দুপুরের ঘটনা এটি। বিপিএলের দ্বাদশ আসর শুরু হবে শুক্রবার। কিন্তু অনেক প্রশ্নকে সঙ্গী করে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে ভজকট অবস্থা তৈরি হলো শুরুর আগেই। টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা পাওয়া প্রতিষ্ঠান দল চালাতে অপারগতা প্রকাশ করায় দায়িত্ব নেয় বিসিবি। সেই অস্থিরতার মধ্যেই এবার নোয়াখালী দলের এই সঙ্কট।
দলের কোচ ও সহকারী কোচ অটোরিকশায় ওঠার পর দলের পক্ষ থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, “দেখতে খারাপ লাগছে…।” খালেদ মাহমুদ ত্বরিত জবাব দেন, “লাগুক… আমার খারাপ লাগে না? আমার খারাপ লাগে না…!”
অটোরিকশায় বসেই কথা চলতে থাকে। সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের ঝড়ও চলতে থাকে। খালেদ মাহমুদ বলেন, “কাজ করতে ইচ্ছে করছে না, বিপিএল করব না…।”
দলের পক্ষ থেকে থাকা কর্মকর্তা অটোরিকশা চালককে বলেন স্টার্ট বন্ধ করতে। কিন্তু তালহা বলেন, “স্টার্ট বন্ধ করবেন না, চালান…।”
এক পর্যায়ে দলের ওই কর্মকর্তাকে খালেদ মাহমুদ বলেন, “কোচ আছে, অনেক কোচ আছে, নিতে পারবে...।” অন্য কিছু একটার জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা চালাও, ইমরান সাহেবকে দিয়ে চালাও…।”
জানা গেছে, লজিস্টিকাল অব্যবস্থাপনা নিয়েই মূলত ক্ষোভ খালেদ মাহমুদ ও তালহার। অটোরিকশায় বসে এক পর্যায়ে খালেদ মাহমুদকে বলতে শোনা যায়, ‘১০টি বল ওকে (তালহা) দেওয়ার কথা, আজকে বলছে বল দেওয়া যাবে না। কেন, ও কি বল চুরি করবে নাকি বেচে খাবে? আমি তো টাকাও নেইনি কোনো বলের…।”