Published : 13 Apr 2026, 04:48 PM
এক প্রান্তিকে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি সরকারি বিভিন্ন ভাতা পৌঁছে দেওয়ার তথ্য দিয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা কোম্পানি ‘নগদ’।
সোমবার কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৯ জন সুবিধাভোগী সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য নগদ ব্যবহার করেছেন। এই প্রান্তিকে সুবিধাভোগীরা বেশ কয়েকটি ভাগে নগদের মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ৪৯ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ টাকার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।
নগদ বলছে, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা ও টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি। এই প্রান্তিকে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার মোট উপকারভোগী ছিল ১ কোটি ৩১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৮ জন।
তারা নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮৭৮ কোটি ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ টাকা পেয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় টাকার এই অঙ্ক ৩০০ কোটি বেশি।
এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তির মোট চার লাখ ১২ হাজার ৬৯৭ জন উপকারভোগীর কাছে এই তিন মাসে মোট ৩২ কোটি ৬৭ লাখ ৮৫ হাজার ১৯২ টাকা পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
একই সময়ে সেলাই ও অ্যামব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পাঁচ হাজার ৭৮৫ জন শিক্ষার্থীর কাছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ২৭২ টাকা বিতরণ করেছে নগদ।
কারিগরি শিক্ষা উপবৃত্তির ১ লাখ ২২ হাজার ৯৩৭ জন শিক্ষার্থীর কাছে নগদের মাধ্যমে পৌঁছে যায় ৪৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮০ টাকা, যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা বেশি।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি মোট ৩৮ হাজার ৫৫ জন উপকারভোগীর কাছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৬২১ টাকা বিতরণ করেছে নগদ।
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১০ লাখ ১১ হাজার ৫৫৭ জনের কাছে ৮৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার ২১৭ টাকা পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
একই সময়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অর্থও নগদের মাধ্যমে করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নগদের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার সামসুল ইসলাম বলেন, “ভাতা, উপবৃত্তি ও সরকারি অনুদান বিতরণে নগদ সব সময়েই গ্রাহকের পছন্দের ওপরের দিকে থাকে। নগদের ওপর আস্থা রাখায় আমরা গ্রাহক এবং সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
“আমরা মনে করি, গুণগত গ্রাহক সেবার কারণেই নগদের ওপর সবাই আস্থা রাখছেন। ফলে প্রতি প্রান্তিকেই নগদের মাধ্যমে ভাতাভোগীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে টাকার অঙ্কও।”