Published : 29 Jun 2026, 08:45 PM
প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন অংশীজনরা।
এজন্য তারা সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতার রূপরেখা প্রণয়ন; শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতার উন্নয়ন; জলবায়ু-সহনশীল ও ডিজিটাল শিক্ষায় সহায়তা দেওয়া; দুর্গম এলাকায় শিক্ষা সেবা জোরদার করা এবং উন্নয়ন সংস্থার অভিজ্ঞতা ও তথ্যগুলো জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেছেন।
সোমবার এক সংলাপে অংশীজনরা এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন বলে ব্র্যাকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন বিষয়ক এ সংলাপে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
‘পিইডিপি-৫-এর আওতায় প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তরের জন্য অংশীদারত্ব ও সমন্বয় জোরদারে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা’ শিরোনামের এ সংলাপে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমও উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পিইডিপি-৪) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। মূল প্রবন্ধের ওপর প্রশ্নোত্তর পর্ব সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি, কমিউনিকেশনস অ্যান্ড এনগেইজমেন্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কে এ এম মোর্শেদ।
ববি হাজ্জাজ বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো সব শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়নি। শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।”