২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকায় পিটিআই অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
“প্রাথমিক শিক্ষায় অগ্রগতি হলেও এখনো সব শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়নি,” বলেন ববি হাজ্জাজ।
এর আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সংগীত, নৃত্য, নাটক ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বলে তুলে ধরেন তিনি।
নকশা, প্রশিক্ষণ ও পাইলটিং শেষে ২০২৮ সালে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠক্রম পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। রোববার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি-নেপ, ময়মনসিংহ আয়োজিত প্রাথমিক স্তরের ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন পাইলটিং কার্যক্রমের বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে ‘ক্যারিয়ার’ ও ‘স্কিল ওরিয়েন্টেশন’ যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও বলেন ববি হাজ্জাজ।
গত দুই বছরে নীরবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভেতরে ভয়াবহ এক মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ঘটে গেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মধ্যে একধরনের ভয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং আলগা হয়ে গেছে তাদের দৃঢ় বন্ধন।
চার থেকে ১৩ বছরের বয়সিদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
“প্রথম মাসে এক লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাটের স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস দেওয়া হবে।”