Published : 27 Apr 2026, 12:23 AM
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘লার্নিং উইথ প্লে’ বা ‘খেলতে খেলতে শিক্ষা’ পদ্ধতি বাস্তবায়নের কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রোববার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি বলেন, “আমাদের বাচ্চারা যেন, চার থেকে ১০ বছর বয়সের শিশুরা, খেলতে খেলতে, গল্প বলা ও গল্প শোনার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তারা যেন ক্লাসরুমে আসে, এই আশাটা আমরা নিশ্চিত করতে পারি।”
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নিয়ে ববি হাজ্জাজ দাবি করেন, “প্রাথমিক শিক্ষা এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে অন্য কাউকে অনুকরণ করতে না হয়; বরং অন্যরা বাংলাদেশকে অনুসরণ করে। সেই ব্যবস্থা শুরু করিয়েছেন আমাদের সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী।”
শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে ‘ক্যারিয়ার’ ও ‘স্কিল ওরিয়েন্টেশন’ যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও বলেন তিনি। বলেন, “আগামী দিনগুলোতে আমাদের কোনো শিক্ষার্থী যেন চাকরির জন্য এই দরজা, ওই দরজায় না ঘোরে। তাদের জন্য যেন চাকরি তৈরি থাকে, সেটা দেশে হোক আর দেশের বাইরে হোক।”
দুই কোটি শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ‘ধরে রাখতে’ বিভিন্ন প্রণোদনার কাজ সরকার শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের খাবার, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, বছরে একবার জুতা ও ব্যাগ দেওয়ার মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
“তারা যেন স্কুলে আসে, তার জন্য যা কিছু করা যেতে পারে, সবকিছুর ব্যবস্থা করার কাজ সরকার শুরু করেছে।”
এদিনের আলোচনায় বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন বগুড়ার গাবতলী পাইলট স্কুল এবং সৈয়দ আহমেদ কলেজ সরকারিকরণের দাবি জানান। তিনি জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান।