Published : 18 Dec 2025, 08:49 PM
ভারতীয় হাই কমিশন অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ভারত ‘উগ্রপন্থি’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের একটি সংগঠন।
অবিলম্বে দিল্লির কাছে এ বিষয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ অবস্থান তুলে ধরেন সংগঠনটির সংগঠক ও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের।
৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে তিনি বলেন, “এর মধ্যে ভারতের বক্তব্যের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে ২৩ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মার্চ ও স্মারকলিপি দেবে জুলাই ঐক্য। এছাড়া ১৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে প্রতিবাদ মিছিল করা হবে।”
বুধবার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনারকে তলব করে ‘বাংলাদেশের ক্রমাবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জোরালো উদ্বেগ’ জানায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সেদিন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডও বিশেষভাবে তার নজরে আনা হয়েছে, যারা ঢাকার ভারতীয় মিশনকে কেন্দ্র করে একটি নিরাপত্তা পরিস্থিতি তৈরির ঘোষণা দিয়েছে।”
ভারতের এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে জুবায়ের বলেন, “ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জুলাই ঐক্যের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ‘চরমপন্থি গোষ্ঠীর আন্দোলন’ হিসেবে তুলে ধরে কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পররাষ্ট্রনীতির সীমা লঙ্ঘন করেছে।”
সাবেক দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা ও জুলাই যোদ্ধাদের এভাবে আখ্যায়িত করা 'অগ্রহণযোগ্য' বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “১৭ ডিসেম্বর পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ। এতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ কর্মসূচিকে ‘চরমপন্থি’ বলাটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।”
তিনি অভিযোগ করেন, “জুলাই যোদ্ধাদের চরমপন্থি আখ্যা দিয়ে হত্যাযোগ্য করার ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে।”