১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল ও এনডিএফ জোটের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করে জুলাই ঐক্য।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, “নির্বাচনের নিরাপত্তায় বডি-ওয়র্ন ক্যামেরা না থাকলে নির্বাচনের দিন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।”
“মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন কর্মসূচিকে ‘চরমপন্থি’ বলাটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার,” বলেন এবি জুবায়ের।
জুলাই ঐক্যের ডাকে বুধবার বিকালে ঢাকার রামপুরা ব্রিজ থেকে শুরু হয় ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাই কমিশন’ কর্মসূচি। উত্তর বাড্ডার হোসেন মার্কেটের সামনে পৌঁছালে পুলিশ মিছিলটি আটকে দেয়। পরে সেখানে সমাবেশ করে ফিরে যান আন্দোলনকারীরা। শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়াসহ বেশ কিছু দাবিতে এ কর্মসূচি ডাকা হয়।
এ কর্মসূচির কারণে যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) বুধবার দুপুর থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
“অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সুশীল হয়ে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিয়েছে,” বলেন মোসাদ্দেক।
“১৪০০ শহীদের রক্তের উপর যে মানুষকে আমরা এই দায়িত্ব দিয়েছি, সেই মানুষকে আমরা ঠিকঠাক কাজ করতে দিচ্ছি না।”
“অভ্যুত্থানের পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম একটা সুখী, সমৃদ্ধ, ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশের পাবো। কিন্তু ইন্টেরিম আমাদের সামনে ঝুলিয়ে রেখেছে একটা ইয়া বড় মুলা।”