Published : 06 Nov 2025, 07:41 PM
শিক্ষার মান বজায় রাখার স্বার্থে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শরীর চর্চার শিক্ষক পদ থাকাটা ‘অপরিহার্য’ বলে মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার নৃত্যকলা বিভাগ থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, "সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চিত্রকলা মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা— এই দুটি বিষয় অধ্যয়ন ও চর্চা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য। কাজেই শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকেই পাঠ্যসূচিতে এসব বিষয় থাকা বাঞ্ছনীয়।"
ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে রোববার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সৃষ্টি করা সংগীত শিক্ষক পদ বাতিল করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাতিল করা হয় নতুন সৃষ্টি করা শরীরচর্চা শিক্ষকের পদটিও।
এ দুটি পদ বাদ দেওয়ার পাশাপাশি 'সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫' এ কিছু 'শব্দগত পরিবর্তন' আনা হয়।
এসব সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রকল্পটির ‘পরিকল্পনায় ত্রুটি ও বৈষম্য’ রয়েছে।
কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত ও যুক্তি প্রত্যাহার করে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন সংগঠন।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।
এই কর্মসূচির সঙ্গে নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সংহতি রয়েছে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থিরা বিবৃতিতে বলেছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে শিশুর সার্বিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হবে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হবে।