ঢাবি ছাত্ররা নষ্ট পোলাও-রোস্ট ফেললেন শিক্ষকদের সড়কে

এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে হল প্রাধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য ফের খাবারের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 Jan 2023, 12:00 PM
Updated : 24 Jan 2023, 12:00 PM

হল প্রাধ্যক্ষের পুরস্কার বিতরণ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেওয়া হলো ‘শুভেচ্ছা ভোজ’; বক্স খুলতেই বেরিয়ে এল নষ্ট পোলাও আর রোস্টের কুবাস। সেই খাবার শিক্ষকদের কোয়ার্টারের পথে ফেলে সরব হলেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে সোমবার রাতে হল প্রশাসনের তরফে খাবার বিতরণের পর এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল বাছির শিক্ষার্থীদের জন্য ফের খাবারের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

বিজয় একাত্তর হল ট্রাস্ট ফান্ডের প্রভোস্ট গোল্ড মেডাল, প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খাবার বিতরণ করা হয়। খাবারের বক্সে পোলাও, মুরগির রোস্ট ও একটি ডিম দেওয়া হয়।

কিন্তু বক্স খোলার পরই খাবারে দুর্গন্ধ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। রোস্ট ও পোলাও- দুটোই খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল।

পরে শিক্ষার্থীরা হলের দক্ষিণ পাশের বারান্দা দিয়ে আবাসিক শিক্ষকদের কোয়ার্টারে যাওয়ার সড়কে খাবারের বক্স ফেলে প্রতিবাদ জানান। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া’, ‘ভুয়া’ বলে স্লোগানও দেন।

তবে খাবারের মান ‘ভালোই’ ছিল দাবি করে হল ক্যান্টিন ব্যবস্থাপক দিদারুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গরম খাবারটা বাটিতে ঢেকে রাখায় কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া এগুলো দেরিতে বিতরণ করা হয়েছিল।”

জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল বাছির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ড মেডেল প্রদান উপলক্ষে স্ন্যাকস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার পরবর্তীকালে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর যেহেতু এই প্রথম প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ড মেডেল দেওয়া হচ্ছে, তাই আমি রাতের খাবারের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দিই হল ক্যান্টিনকে।

“সবকিছু ঠিক থাকলেও তারা গরম খাবার বাটিতে তুলে সারি করে রেখে দেয়। তাই গরমে খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। সব খাবার নষ্ট হয়নি, কিছু খাবার নষ্ট হয়েছে। এর দায়ভার কোনো শিক্ষকের নয়, বরং হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়ভার আমার। অচিরেই আমরা হলের শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও খাবারের আয়োজন করব।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক