Published : 02 Feb 2026, 04:38 PM
‘বৈষম্যমুক্ত’ নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সোমবার সকাল ১০টায় সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন হয়েছে। পরে ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন তারা।
এসময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ও লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা শিক্ষকরা এই মানববন্ধনের দাবির সঙ্গে একমত। অতিশিগগিরই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে।”
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মুমিন বলেন, “সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে তীব্রভাবে বঞ্চিত। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক ভালো উদ্যোগ থাকলেও এই জায়গায় তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্বের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল থাকলেও আমাদের ক্ষেত্রে তা নেই। এমনকি ২০১৫ সালের পর আর পে-স্কেল বাড়ানো হয়নি। ১১ বছর আগের পে-স্কেল বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সভাপতি রশিদুল হায়দার জাবেদ বলেন, “কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে গতকাল আমরা দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছি। আজ মানববন্ধন ও মিছিল করেছি। আগামীকাল কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হবে।”
ডেপুটি রেজিস্ট্রার শহীদুল হক বলেন, “২০০৯ সালের পে স্কেল বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ, দ্রুত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হোক।”
ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুর সবুর বলেন, “আমরা অবিলম্বে জাতীয় পে স্কেলের নবম ধাপ বাস্তবায়ন চাই। আশা করি বর্তমান সরকার আমাদের দাবি মেনে নিয়ে আমাদের স্বাভাবিক কর্মপরিবেশে ফিরে যেতে সহায়তা করবে।”