Published : 21 Jun 2023, 01:38 PM
সিলেট ও রাজশাহী সিটি নির্বাচনে দিন শেষে গড়ে ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পড়তে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।
বুধবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিসি ক্যামেরায় চার ঘণ্টা ধরে ভোটের পরিস্থিতি দেখে এ কথা বলেন তিনি।
সকাল ৮টায় শুরু হওয়া দুই সিটি নির্বাচনের ভোট বিরতীহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, “ভোটার শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে। কোনো অনিয়ম নেই। বৃষ্টির কারণে কিছুটা উপস্থিতি কমলেও সার্বিকভাবে ভোটার উপস্থিতি অনেক ভালো।
“কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা তো সঠিকভাবে বলা যাবে না। তবে ৪০ শতাংশের উপরে ভোট কাস্ট হবে।”
সিলেটে জাতীয় প্রার্থীর মেয়রপ্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে রাশেদা সুলতানা বলেন, কোথাও কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ কমিশনের কাছে আসেনি।
সিলেটে ২০০৮ সালে ভোট পড়ার হার ছিল ৭৫%। ২০১৩ সালে এ সিটিতে ভোট পড়ে ৬২% এবং ২০১৮ সালেও ভোটের হার ছিল প্রায় ৬৩%।
রাজশাহীতে ২০০৮ সালে ভোট পড়ার হার ছিল ৮১.৬১%। ২০১৩ এ সিটিতে ভোট পড়ে ৭৬.০৯ %। সবশেষ ২০১৮ সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ভোটে ৭৮.৮৬% ভোট পড়েছে।
এবার দুই সিটিতে সবকেন্দ্রে ইভিএমে ভোট হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাকের পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ইসলামী আন্দোলন ইতোমধ্যে বর্জন করেছে ভোট, জাতীয় পার্টি প্রার্থীরা ভোটে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করেছেন।
বিএনপি এবার না থাকায় অনেকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন এ নির্বাচনে ভোটের হার তুলনামূলক কম হওয়ার শঙ্কার কথা সব মহল থেকেই বলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
পুরানো খবর:
সিলেটে ভোটারের লাইন, ইভিএমে ধীর গতিপুরানো খবর:
জয়ে আশাবাদী লিটন বললেন, বিএনপি ভুল করেছে