Published : 21 Jun 2023, 09:54 AM
আগের তিন সিটি নির্বাচনের মতই ঢাকা থেকে সিসিটিভির মাধ্যমে সরাসরি সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার সকাল ৮টায় আট লাখ ৩৮ হাজার ভোটারের এ দুই নগরীতে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
সকাল থেকেই ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে স্থাপিত সিসিটিভি মনিটরিং কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল এবং নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা ও মো. আলমগীর।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুই সিটির ৩৪৫টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটি ভোট কক্ষে একটি করে এবং প্রতি কেন্দ্রে দুটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দিনের শুরুতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
ইসির আইডিইএ প্রকল্পের জুনিয়র কমিউনিকেশন কনসালটেন্ট শফিকুল ইসলাম জানান, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০ টি ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি। ভোট কক্ষ রয়েছে ১১৫৩টি। এ সিটির ভোট মনিটরিং হচ্ছে ১৪৬৩টি ক্যামেরার মাধ্যমে।
আর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২ ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৯০টি; ভোট কক্ষ ১৩৬৭টি। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ১৭৪৭টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
নির্বাচন ভবনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ২৩টি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে একসাথে ৩৬৮টি সিসি ক্যামেরায় ২৫২০টি ভোট কক্ষ পর্যবেক্ষণ করা যায়। প্রতিটি ডিসপ্লে বোর্ড দশ সেকেন্ড পরপর অটো রোটেট করে ৩৪৫টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ভোটের পরিবেশ নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখার পাশাপাশি অনিয়ম, গোলযোগ ঠেকাতে বরাবরের মতই আশ্বস্ত করছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, “অনিয়ম. বিশৃঙ্খলায় কোনো ছাড় নয়। নির্বাচন পূর্ব, ভোটের দিন ও নির্বাচনোত্তর অনিয়ম, গোলযোগ ও সহিংসতা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
নির্বাচন ভবনে ইসির আইডিইএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় ও মনিটরিং সেল কাজ করছে।
জননিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, বিজিবি, র্যাব ও আর্মড পুলিশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন ওই সেলে। তারাও ঢাকার নির্বাচন ভবন থেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে কমিশনকে অবহিত করছেন।
এর আগে বরিশাল সিটি করপোরেশন, খুলনা সিটি করপোরেশন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, ঝিনাইদহ পৌরসভা, গাইবান্ধা ৫ উপ নির্বাচন সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় অর্ধেকের বেশি কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম দেখে মাঝপথে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ওই আসনে নতুন করে ভোটগ্রহণ হয়।