১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জয়ে আশাবাদী লিটন বললেন, বিএনপি ভুল করেছে

“প্রার্থী মাত্রই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী থাকে, আমি ইনশাআল্লাহ শতভাগ নিশ্চিত।”

জয়ে আশাবাদী লিটন বললেন, বিএনপি ভুল করেছে

রাজশাহী স্যাটেলাইট টাউন হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Jun 2023, 10:57 AM

Updated : 21 Jun 2023, 11:20 AM

ভোটের আনন্দমুখর পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ভোটে অংশগ্রহণ না করা বিএনপির ভুল হয়েছে।

সকাল ৯টার দিকে রাজশাহী স্যাটেলাইট টাউন হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “অবশ্যই তাদের ভুল হয়েছে। অবশ্যই তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে হত।

“ সেক্ষেত্রে তারাও তাদের অবস্থান বুঝতে পারতো। জাতিও বুঝতে পারতো, আমরাও বুঝতে পারতাম। নির্বাচনটি প্রকৃত অর্থেই সেরকম অর্থবহ হত।”

সপরিবারে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা নৌকা মার্কার এই প্রার্থী ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভোটের পরিবেশ নিয়ে বলেন,  নির্বাচনের দিনে প্রার্থীর যে রকম অভিজ্ঞতা হয়, যেরকম আনন্দময় সুখকর অভিজ্ঞতা হলো।”

“এখন অনেকে ভোটার লাইনে আছেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে লাইনে আছেন । আমি আশা কার সারাদিন এই আনন্দমুখর পরিবেশ যাবে। আমার ভালো লাগছে।

“খুবই ভালো লাগছে। ভোট দেবার মতো পরিবেশ। বৃষ্টিও নেই, রোদও নেই, সেদিক দিয়ে ভোটারদের জন্য সহনীয় আবহাওয়া। ”

জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটুকু নিশ্চিত- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,  “প্রার্থী মাত্রই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী থাকে, আমি ইনশাআল্লাহ শতভাগ নিশ্চিত।”

ভোটার উপস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “ভোটার উপস্থিতি ভালো, ভোটার টার্ন আউট আছে। আমার মনে হয় ৬০ শতাংশের এর আগে পিছে থাকবে।”

ভোটের যে সার্বিক পরিবেশ, আপনার কি মনে হয় কোনো দল অংশগ্রহণ না করে ভুল করেছে? সুষ্ঠু ভোট হওয়ার মতো সার্বিক পরিবেশ কি রয়েছে? সরাসরি বলি বিএনপি কেনো প্রার্থী দেয়নি, আপনার কাছে কি মনে হয়, তাদের প্রার্থী না দেওয়াটা কি ভুল হয়েছে?

অবশ্যই তাদের ভুল হয়েছে। অবশ্যই তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে হতো। এবং সেক্ষেত্রে তারাও তাদের অবস্থান বুঝতে পারতো। জাতিও বুঝতে পারতো, আমরাও বুঝতে পারতাম। নির্বাচনটি প্রকৃত অর্থেই সেরকম অর্থবহ হতো।. তারা না এলে তো কিছু করার নেই। বাকী যারা আছে তাদের নিয়েই করতে হবে।

বিএনপি সরাসরি অংশ না নিলেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাদের কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন,  “তাদের কাউন্সিলর প্রার্থী আছেন, প্রায় অলমোস্ট সবগুলো ওয়ার্ডেই আছেন, জামায়াত ইসলামীর প্রায় ১১-১২ টি ওয়ার্ডে আছে। কাজেই তারা তাদের ভোটারদের নিয়ে আসবেন। সেই হিসেবে ভোটে সবারই অংশগ্রহণ থাকবে। ”

সেক্ষেত্রে তাদের ভোট কোন  মেয়র প্রার্থী পেতে পারে- এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী বলেন, “মেয়রে তারা কোন জায়গায় ভোট দেবে সেটা বলা খুব মুশকিল। তবে কিছু ভোট যদি উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে হলেও তারা দেন সেটা আশা করতে পারি।”

ইভিএমে ভোটে ধীরগতি হচ্ছে কিনা কোনো অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “মোবাইলে যতটুকু জেনেছি দুই একটি কেন্দ্রে ভোট স্লো হচ্ছে। যেমন- দাশমানিক কেন্দ্রে, সেখানে তাড়াতাড়ি করার জন্য তাদের অনুরোধ করেছি।”

কিছু কেন্দ্রে ইভিএম জটিলতা দেখা ‍দিয়েছে নিয়ে তিনি বলেন, তার নির্বাচনী এজেন্টসহ একটি টিম আছে। তারা বিষয়গুলো দেখছেন।

“দুয়েকটি কেন্দ্রে অভিযোগ পেয়েছি, যে ইভিএম মেশিন খারাপ হচ্ছে। নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশনের কাছে বিকল্প মেশিন আছে, বলে আমরা জানি। এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা সেটি রিপ্লেস করবেন বলে আশা করছি” বলেন তিনি।

এখনো কেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা কম নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “লাইনে দাঁড়িয়ে আছে তো পঞ্চাশ জনের উপরে। তারাও এখন ভোট দেবে এবং যত বেলা বাড়বে, ভোট প্রদানের সংখ্যাও বাড়বে।”

অন্য প্রার্থীরা না আশায় ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা কমছে কিনা সাংবাদিক দের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “অন্য যারা আছেন, জাকের পার্টি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী আছেন, তারা সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন ভোটারদের আকর্ষণ করতে। আরও কেউ থাকলে ভালো হতো। এখন যারা আছেন, তাদের নিয়েই ভোট করতে হবে। ”

পুরানো খবর:

ভোটের অপেক্ষায় সিলেট-রাজশাহী

পুরানো খবর:

ভোট দিচ্ছে সিলেট ও রাজশাহী

সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে ভোট দিচ্ছেন দুই নগরীর আট লাখ ৩৮ হাজারের বেশি ভোটার; জাতীয় নির্বাচনের ছয় মাস আগে এ নির্বাচনে সবার নজর ভোটের হারের দিকে।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, দুই নগরের ৩৪৫টি কেন্দ্রে বুধবার সকাল ৮টায় নির্ধারিত সময়েই ভোট শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।