Published : 20 Mar 2024, 11:34 PM
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চাকরি না পাওয়া সনদধারীরা সরাসরি নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনে নামলেও এনটিআরসিএ বলছে, ‘সে সুযোগ নেই’।
দুই দিন ধরে ঢাকায় ইস্কাটনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করছেন নিয়োগ না পাওয়া সনদধারীরা।
২০১৫ সালে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সনদ পাওয়া তাহসিন খায়ের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এনটিআরসিএ পরবর্তী নিয়োগের জন্য ১-১৫ তম নিবন্ধন সনদধারীদের সনদ বাতিল করে দিয়েছে।
"আমরা তো যোগ্য হিসেবেই উত্তীর্ণ হয়েছি। তাহলে চাকরি পাব না কেন? আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা সাক্ষাৎ করতে চাই।"
দেড় দশকেও চাকরি না পাওয়ার বিষয়ে ২০০৯ সালে পঞ্চম নিবন্ধন সনদধারী খসরু রঞ্জু আহমেদ চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এনটিআরসিএ অনেকের কাছে জাল সনদ বিক্রি করেছে। সে কারণে একই রোল নম্বরের বিপরীত অনেকজনকে পাওয়া গেছে। তারা চাকরি করছে, আমরা চাকরি পাইনি।
"এগুলো এখন ধরা পড়বে দেখে তারা আমাদের সনদ বাতিল করে দিচ্ছে। দেশে তো শিক্ষক সংকট রয়েছে, সেসব শূন্য পদে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হোক।"
যা বলছে এনটিআরসিএ
এনটিআরসিএ এর চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম বলছেন, আইন অনুযায়ী আন্দোলনকারীদের দাবি মানার কোনো সুযোগ নেই।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, "যদি সনদ পাওয়ার পর ৩ বছর চলে যায় কিংবা ৩৫ বছর হয়ে যায়- তাহলে তো চাকরি পাবে না। সেখানে কিছু করা সম্ভব না।
"তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করব এ বিষয়ে কিছু করা যায় কি না।"
জাল সনদের বিষয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, "এটা পুরোপুরি ঠিক না। তবে এটাও সত্য যে জাল নিবন্ধনধারী আছে। আমরা এদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। ইতোমধ্যে ৩ জনকে ধরে দুদকে দেওয়া হয়েছে।"