গরু ও মাংস আমদানির নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন
আবেদনটির শুনানি ঈদের ছুটির পরে হবে।
গরুর মাংস সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে গরু এবং মাংস আমদানির নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে একটি রিট আবেদন হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মঙ্গলবার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।
ঈদের ছুটির পরে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন এ আইনজীবী।
আবেদনে বলা হয়, বাজারে গরুর মাংসের দাম ‘অস্বাভাবিকভাবে’ বেড়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে, যা নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।
প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির মাধ্যমে বাজারমূল্য সহনীয় রাখার দায়িত্ব টিসিবির হলেও তা পালনে প্রতিষ্ঠানটি ‘ব্যর্থ হয়েছে’ মন্তব্য করে গরু ও গরুর মাংস আমদানির জন্য হাই কোর্টের নির্দেশনা চেয়েছেন মাহমুদুল।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও টিসিবির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে আবেদনে।
আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমদানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী গরুর মাংস একটি আমদানিযোগ্য পণ্য। অপরদিকে 'দি ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অর্ডার' ১৯৭২ এর ধারা ১২ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির মাধ্যমে বাজারে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে বাজার মূল্য সহনীয় রাখা টিসিবির আইনি কর্তব্য।
“কিন্তু টিসিবি বিদেশ থেকে জীবন্ত গরু এবং গরুর মাংস আমদানি না করে তার আইনি কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয়েছে।”
রিটকারী বলেন, “দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ব্যর্থতার জন্য বাজারে গরুর মাংস নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ ও মৌলিক অধিকার ৩১/৩২ লঙ্ঘন হচ্ছে।
“গরুর মাংসকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে অবিলম্বে জীবন্ত গরু ও মাংস বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে।”
