নেত্রকোণার খলিলের যুদ্ধাপরাধ মামলার রায় মঙ্গলবার

একাত্তরে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 11 Sept 2022, 09:25 AM
Updated : 11 Sept 2022, 09:25 AM

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নেত্রকোণার খলিলুর রহমানের সাজা হবে কিনা তা জানা যাবে মঙ্গলবার।

বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় ঘোষণা করবে।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

গত ১৮ জুলাই যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে এ মামলার রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখে ট্রাইব্যুনাল।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজ মামলাটি কার্যতালিকায় এলে রায় ঘোষণার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন রেখেছে ট্রাইব্যুনাল।”

২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয় প্রসিকিউশনের তদন্ত সংস্থা। সে সময় আসামি ছিলেন ৫ জন। তাদের মধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অপর চার আসামি নেত্রকোনার দুর্গাপূর থানার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মো. খলিলুর রহমান, তার ভাই মো. আজিজুর রহমান, একই থানার আলমপুর ইউনিয়নের আশক আলী এবং জানিরগাঁও ইউনিয়নের মো. শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

সে সময় চার আসামির মধ্যে খলিলুর রহমান পলাতক ছিলেন। বিচার চলাকালে কারাগারে থাকা তিন আসামিও মারা যান বিভিন্ন সময়ে। ফলে মঙ্গলবার কেবল খলিলেরই রায় হবে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের চেষ্টা, অপহৃত চারজনের মধ্যে দুইজনকে ক্যাম্পে নির্যাতন, ১৪/১৫টি বাড়িতে লুটপাট এবং সাতটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।

আসামিদের মধ্যে খলিলুর রহমান ১৯৭১ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আল-বদর বাহিনীতে যোগ দেন। পরে চণ্ডিগড় ইউনিয়নে আল-বদর বাহিনীর কমান্ডার হন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক