Published : 04 Sep 2025, 12:44 AM
রাজধানীর আদাবরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ‘কবজি কাটা গ্রুপ’ এর দুই ভাইসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগ।
সোমবার হামলার ঘটনার পর ওই রাতেই ১০২ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছিল পুলিশ।
তাদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া নয়জন হলেন- দুইভাই মো. জনি (২৪) ও মো. রনি (২৭), মো. ওসমান (২০), মো. নাজির (২০), মো. রাজু (২৭), মো. শাকিল (১৯), মো. আবুল কামাল আজাদ (১৯), মো. রেজু খান আলম (২২) এবং মো. আল-আমিন (১৮)।
এদের ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও সাভার এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের কথা জানান হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
পুলিশ বলছে পলিটেকটিকের ছাত্র পলাশ (২০) আদাবরের সুনিবিড় হাউজিংয়ে তার ‘প্রেমিকার’ সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন তাদের আটকে রেখে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।
ওই টাকা নিয়ে দীর্ঘ দেন দরবার চলে। দুজনকে এক বাসা থেকে আরেক বাসায় সরিয়ে নেওয়া হয় নিরাপত্তার কথা বলে।
এই দেন দরবারের এক পর্যায়ে পলাশের মোবাইল থেকে মুক্তিপণের জন্য তার বাবাকে ফোন করা হয়। তার বাবা তখন ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশে খবর দেন।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা পুলিশ পলাশের মা এবং ছোট ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়।

এসময় একটি পক্ষের লোকজন পুলিশের গাড়ির চালক আল আমিনকে কুপিয়ে চলে যায়।
হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পাওয়া ওই পুলিশ কনস্টেবলকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রেমিক যুগলকে ‘জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের’ খবর পেয়ে রাজধানীর আদাবরে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হলেও, তদন্তকারীরা এখন অন্য ধারণা করছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, ছেলেটি হানি ট্র্যাপে পড়েছিল। তবে আমরা আরো তদন্ত করে দেখব।”
পুরনো খবর: