Published : 20 Feb 2014, 11:12 PM
বুধবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের বিস্তারিত ফল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন প্রকাশের পর এই তথ্য জানা যায়।
৯৭ উপজেলায় ১ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৫১ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ কোটি ১ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৭ জন।
এর মধ্যে বৈধ ভোট ভোট ৯৬ লাখ ৫২ হাজার ৫৮৪টি বলে জানিয়েছে ইসি। বাতিল হয়েছে ৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৩ ভোট।
সেই হিসাবে প্রথম পর্বের নির্বাচনে সাড়ে ৪ শতাংশ ভোট বাতিল হয়েছে অর্থাৎ ব্যালটে সিল ঠিকভাবে মারা হয়নি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, নির্ধারিত ছকের বাইরে সিল দেয়া ও একই পদে একাধিক প্রার্থীকে ভোট দেয়াসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে কাহারোল ও খানসামা উপজেলায় সাড়ে ২৭ হাজার ভোট বাতিল হয়।
জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, কাহারোলে ১১ হাজার ৬৮৯টি এবং খানসামায় ১৫ হাজার ৮৩৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।
কাহারোল উপজেলায় মোট ভোটার এক লাখ ২ হাজার ১৯৩। খানসামা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা এক লাখ ১১ হাজার ৩৭৭।
বিপুল সংখ্যক ভোট বাতিল হওয়ায় প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভোটারদের সঠিকভাবে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন।
কাহারোল উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভোট দেয়ার অজ্ঞতার কারণে বিপুল সংখ্যক ভোট বাতিল অবশ্যই উদ্বেগজনক। আগামীতে সঠিকভাবে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।”
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গোপেশ চন্দ্র রায়ও একই কথা বলেন।
প্রার্থীদের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে রির্টানিং অফিসার নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ভোটারদের আগেই এ বিষয়ে জানানো হলে মূল্যবান এসব ভোট বাতিল হত না।