Published : 28 Oct 2015, 09:14 PM
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের দুই সপ্তাহ পর এই অধ্যাদেশ হতে যাচ্ছে।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে প্রস্তাবিত সংশোধনী রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। তিনি অনুমোদন দিলেই সেটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করার নিয়ম।
স্থানীয় সরকার ও আইন মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-এর ভেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
তার মানে, রাষ্ট্রপতি সায় দিলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলভিত্তিক আয়োজনে কোনো বাধা থাকছে না।
বুধবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখন পৌরসভার আইন সংশোধন অধ্যাদেশ হচ্ছে। বাকিগুলোর সংশোধন আইন আকারে সংসদে উত্থাপন হবে।
তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ভেটিং শেষে অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। যে কোনো সময় রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দিতে পারেন। কালও (বৃহস্পতিবার) পৌরসভা অধ্যাদেশ জারি হতে পারে। তা না হলে রোববার নাগাদ অধ্যাদেশ জারি হবে।”
১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আইন সংশোধনের খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
নভেম্বরে পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে।
ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে ‘দ্রুত’ অধ্যাদেশ চেয়েছে নির্বাচন কমিশনও।
একদিন আগে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দীন আহমদও অধ্যাদেশের জন্য অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়েছিলেন।
সংশোধনীতে যা থাকছে
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বিদ্যমান স্থানীয় সরকার পৌরসভা আইনে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
রাজনৈতিক দল অর্থ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্থ যিনি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনয়ন গ্রহণ করেননি বা যাকে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
মেয়র ও কাউন্সিলরের যোগ্যতা-অযোগ্যতা সংক্রান্ত ধারায় একটি নতুন দফা সংযোজনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এই দফায় নিবন্ধিত দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্রদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে।
নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত নতুন দফাও যুক্ত হচ্ছে সংশোধনীতে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের বিষয়েও সংশোধনী আনা হবে।