Published : 07 Jun 2026, 01:58 PM
ঘটনার ২০ দিনের মাথায় রামিসা আক্তার হত্যা মামলার রায় ঘোষণাকে ‘বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক’ বলছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণার পর এক ব্রিফিংয়ে এসে তিনি বলেন, “আমি তো মনে করি এটা আমাদের বাংলাদেশের জন্য একটা নতুন যাত্রা।”
আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রতিবেশী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারকে দিতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।
গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধারের পর ২০ দিনের মধ্যে এ মামলার বিচার শেষ হল।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, কোন একজন আইনজীবী রামিসার বাবাকে গিয়ে বলেছিলেন, তার যদি অতিরিক্ত কোনো আইনগত সহযোগিতা লাগে, তাহলে তারা তা দেবেন।
“কিন্তু রামিসার পিতা সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সম্বোধন করেছিলেন বড় ভাই হিসেবে। তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আশ্বস্ত করে গেছেন আমি আশ্বস্ত হয়েছি। আমি মনে করি আমার কন্যা হত্যার বিচার পাব।’”
দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এ বিচার সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যে অঙ্গীকার, রাষ্ট্র তা পালন করতে পেরেছে বলেই মনে করছেন কাজল।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রামিসার বাবা বিচারের জন্য রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের প্রধানের ওপর ‘আস্থা’ রেখেছিলেন এবং নির্বাহী বিভাগ তার ভূমিকা এবং দায়িত্ব ‘যথাযথভাবে’ পালন করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি ‘নতুন যাত্রা’।
“এত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলার রায় ঘোষণা করা সেটিও আমার মনে হয় সময় বিবেচনা সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যেকার ঘটনা।
“আমার মনে হয় যে যেটা আপনাদের মনে থাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় মাগুরার আসিয়া এবং শ্রাবণ হত্যা মামলার যে বিচার তার থেকে কম সময়ের মধ্যে বিচারটি সম্পন্ন হয়েছে।”