০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

রামিসা হত্যা: হাই কোর্টেও দ্রুত বিচার চান সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি

‘স্পর্শকাতর’ এসব মামলার আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করার তাগিদ দেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Jun 2026, 08:57 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:29 PM

রামিসা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের মতো হাই কোর্টেও দ্রুত বিচার চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

রামিসা হত্যা মামলায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

রোববার সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবনের সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “খুবই কম সময়ের ভেতরে এ মামলার বিচার হয়েছে এবং আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এমন লজ্জাজনক ও সভ্য সমাজের পরিপন্থি একটি ঘটনার দ্রুত বিচারে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।”

তবে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলেও তা কার্যকর করার আইনি দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন বারের সভাপতি।

তিনি বলেন, “সরাসরি তো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য এটি হাই কোর্টে আসবে। কিন্তু হাই কোর্টে আসার পর মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হতে অনেক সময় নেয়। আমরা দেখছি, পাঁচ-ছয় বছর আগের, অর্থাৎ ২০১৯-২০ সালের মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি এখনও হচ্ছে।”

‘স্পর্শকাতর’ এসব মামলার আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পাশাপাশি আনুষঙ্গিক কাজ দ্রুত করার তাগিদ দেন তিনি।

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “ইতোমধ্যে আগামী রোববার থেকে কার্যকর হওয়ার জন্য একটি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। তবে শুধু বেঞ্চ করলেই হবে না, আপিল গ্রহণ, পেপারবুক তৈরি করাসহ আইনি যে ফরমালিটিজগুলো আছে, তা দ্রুত শেষ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট যে রায়ই দিক, তা যেন দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর হয়। রায় কার্যকর না হলে এটিও অন্যান্য মামলার মতোই হয়ে যাবে।”

পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে গেল ১৯ মে দুপুরে রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ পাওয়া যায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটে। পরে আট বছরের এ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে।

এই ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ২০ দিনের মাথায় রোববার সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। মামলার বিচারকাজ শেষ হয় মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।