Published : 20 Jul 2026, 10:29 PM
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে চাকরিতে যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ এ আদেশ দেন।
মঙ্গলবার আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা বলেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- টাঙ্গাইলের মো. আব্দুল আলিম, সিরাজগঞ্জের আলী হায়দার, কুড়িগ্রামের রাসেল রানা লিটন ও গাজীপুরের মাসুদ ফকির।
রোববার বিকালে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. আবদুল গাফফার আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
অন্যদিকে আসামি রাসেল রানা লিটন ও আলী হায়দারের আইনজীবী নাজনীন আক্তার,মাসুদ ফকিরের পক্ষে মো. মনির হোসাইন জামিনের আবেদন করেন। তবে তারা শুনানি করতে চান মঙ্গলবার। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে মঙ্গলবার শুনানির দিন রাখেন।
মামলায় বলা হয়েছে, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং অফিস সহায়করে শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ২ হাজার ৭৮৪ জন এবং অফিস সহায়ক পদে ২৩ হাজার ৭০৯ জন আবেদন করেন। গ্রেপ্তার চারজন আবেদন করেন অফিস সহায়ক পদে।
অফিস সহায়ক পদের প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা হয় গত ১৯ মে। ৯৩১৮ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষা দেন। এর মধ্যে গেল মাসে ১০৭ জন দেন মৌখিক পরীক্ষা। এরপর ৬ জুলাই অফিস সহায়ক পদে ২০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
রোববার ছিল তাদের চাকরিতে যোগ দেওয়ার দিন। সে অনুযায়ী অন্যদের সঙ্গে ওই চারজনও মন্ত্রণালয়ে আসেন। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার দিন তোলা ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় তারা ধরা পড়ে যান। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, তাদের হয়ে অন্য ব্যক্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।