‘পলাতকদের’ কারখানা কিনলে ‘সহযোগিতা’ করবে সরকার: সাখাওয়াত
ব্যবসায়ীরা রাজনীতিতে এলে ‘আদ্যোপান্ত’ দেখার অনুরোধ জানান এ উপদেষ্টা।
কলকারখানার ‘পলাতক’ মালিকদের সম্পদ কিনতে চাইলে সরকারের সহযোগিতা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার রাজধানীতে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তিনি বলেন, “কারখানা মালিকদের মধ্যে যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন; অনেকে আগেই পালিয়েছেন; কেউ জানুয়ারিতে; কেউ ফেব্রুয়ারিতে।
“যাদের ফেরার সম্ভাবনা কম, বা এখানে যারা আছেন, তারা শ্রমিকদের পাওনা না দিলে সম্পদ বিক্রি করে হলেও পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ বিষয়ে ব্যাংকের সঙ্গে বসা হয়েছে।”
উপদেষ্টা বলেন, “যারা কামব্যাক করবে না, তাদের কারখানা অন্যদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা হবে।পলাতক মালিকদের কারখানা অন্য কেউ কিনে নিতে চাইলে সরকার সহযোগিতা করবে।”
এফডিসি মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এ ছায়া সংসদ বিতর্ক আয়োজন করে।
প্রতিযোগিতায় অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম, আতিকুর রহমান ও নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বিচারক ছিলেন বলে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
ব্যবসা থেকে রাজনীতিতে আসা ব্যক্তিদের ‘আদ্যোপান্ত’ দেখে নিতে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনকে ‘অনুরোধ’ জানান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “আমি রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুরোধ করব, ব্যবসায়ীদের মনোনয়ন দেওয়ার সময় সতর্ক থাকতে।
“নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হবে আরপিওতে সংশোধন আনা। কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে কোনো দলের সঙ্গে তার তিন বছর সক্রিয় থাকার শর্ত থাকতে হবে।”
বিগত সংসদে নির্বাচিতদের ৬০-৭০ অংশ ব্যবসায়ী ছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ব্যবসায়ী যদি নমিনেশন পান, তাহলে তার আদ্যোপান্ত খুঁজে দেখতে হবে; তিনি কী ব্যবসা করেন, ব্যবসাটা কীভাবে করছেন; কতদিন ধরে করছেন, তার আয় কোথা থেকে আসছে।’’
শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ না করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়াদের ধরতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেডএলার্ট জারির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, তাও বলেন উপদেষ্টা।
প্রতিযোগিতায় জয়ী দলকে ৫০ হাজার ও রানারআপ দলকে ৩০ হাজার টাকাসহ ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।
