০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বেইলি রোডের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গত বছর ২৯ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডের  গ্রিন কোজি কটেজ রেস্তোরাঁয় আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 May 2025, 09:07 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:39 PM

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টারে’ লাগা আগুন প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

সোমবার রাত ৭টা ৪৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান। 

তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টারের নিচ তলায় আগুন লাগে।

“এ ঘটনায় কারো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ভবন থেকে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, নয় নারী ও দুই শিশু রয়েছে।”

এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা বলেন, তারা সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ‘ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টারে’ আগুন লাগার খবর পান। 

“সংবাদ পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে নয়টি ইউনিট আগুন নেভাতে যায়।”

আগুন লাগার পর অনেকে তা ফেইসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেন। সেসব ভিডিওতে দেখা যায়, তীব্র কালো ধোঁয়ায় চারদিক ছেয়ে গেছে। লোকজন ছোটাছুটি করছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগে ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক (মিডিয়া) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভবনের উপরে অনেক লোক আটকা পড়েছে। নিচে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

“পরিস্থিতি ভালোর দিকে। আশা করি ক্ষয়ক্ষতি কম হবে।”

১৮ তলা ভবনটিতে ‘বেইলি ডেলি’ নামের একটি ফুডকোর্টসহ রেস্তোঁরা, বিপণী বিতান ও আবাসিক ফ্ল্যাট রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের অফিসও রয়েছে ভনটিতে।

ভবনের ছয়তলায় রয়েছে শিশুদের খেলাধুলার জায়গা ‘বাবুল্যান্ড’।

ভবনের ১২ তলার বাসিন্দা জিহান অনিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি, আমার মা ও বোনসহ বিল্ডিংয়ের যারা বের হতে পারিনি, তারা ছাদে অবস্থান নিয়েছি। এতক্ষণ অনেক ধোঁয়া ছিল, এখন কমেছে।”

এরপর রাত ৮টার দিকে তিনি বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সিঁড়ি বেয়ে হেঁটে ছাদে এসেছিলেন। তারা বলেছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে। কিছুক্ষণ পর সিঁড়ি ধরে আমাদের নিচে চলে যেতে বলেছেন।”

গত বছর ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের  গ্রিন কোজি কটেজ নামে একটি ভবনে আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। ভবনটিতে কাচ্চিভাইসহ বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ ছিল।

ওই ঘটনার পর রাজউকসহ ভবনের নকশা ও নিরাপত্তা অনুমোদনকারী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিস ও রাজউক আলাদা তদন্ত কমিটি করে।