Published : 20 Dec 2025, 01:42 AM
কফিনে বন্দি হয়ে শরীফ ওসমান বিন হাদির মরদেহ যখন হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হচ্ছিল, তখন প্রধান ফটকের বাইরে এ হত্যার প্রতিবাদের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছিল ক্ষণে ক্ষণে। অগুনিত মানুষের ভিড়ের মধ্যে বিমানবন্দর থেকে আসা অ্যাম্বুলেন্সটি একটু একটু করে এগিয়ে যায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরের দিকে আর সরব হতে থাকে স্লোগান।
এ অ্যাম্বুলেন্সকে ঘিরে এগিয়ে যাওয়া মিছিলটি ছিল হাদি হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আসা মানুষের দিনভর ক্ষোভ আর প্রতিবাদের একটি অংশ।
সিঙ্গাপুর থেকে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর বৃহস্পতিবার রাতে যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল সেটি অব্যাহত ছিল শুক্রবার দিনজুড়েই। হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা বাদ যায়নি এদিনও। জুমার নামাজের পর বিক্ষোভকারীদের আহ্ববানে ভরে ওঠে রাজধানীর অনেক সড়ক-এলাকা। শুক্রবারও উত্তাল ছিল শাহবাগ।
দুই সংবাদপত্র কার্যালয় ও ছায়ানট ভবনে আক্রমণ-আগুনের রেশ রয়ে যায় ছুটির এ দিনটাতেও। এ তিন স্থানে হামলা নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ আর সরকারের আবারও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার প্রতিশ্রুতির মধ্যে প্রথম আলোর কার্যালয়ের সামনের মানববন্ধন বাধাপ্রাপ্ত হয়। বাকবিতণ্ডার মধ্যে মাঝপথে সংবাদকর্মীদের এ কর্মসূচিতে বিরতি দিতে হয়।

এদিন দুপুরে আরও এক দফা ভাঙচুর চালানো হয় আগের কয়েক দফায় গুঁড়িয়ে দেওয়া ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে।
এরপর রাজধানীতে দিনভর নতুন কোনো হামলা-ভাঙচুরের খবর না এলেও সন্ধ্যায় আবার আগুনের খবর আসে, উদীচী কার্যালয়ের সব কিছু পুড়ে যায় আধা ঘণ্টার এক অগ্নিকাণ্ডে।
তবে হাদির মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে পৌঁছানোর ঘণ্টা দুয়েক পর রাত সাড়ে ৯টায় শাহবাগের ‘আগ্রাসনবিরোধী সমাবেশ’ থেকে এদিনের মত কর্মসূচি ইতি টানা হলে উত্তেজনা আর প্রতিবাদের উত্তাপ কিছুটা কমে আসে।
এর আগে হাদির মৃত্যুর ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়েই। বিক্ষোভ মিছিলে প্রকম্পিত হয়েছে একের পর এক জেলা। প্রতিবাদ সমাবেশ যেমন হয়েছে, তেমনি আওয়ামী লীগের কার্যালয় আর নেতাদের বাসা বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। কয়েকটি জেলায় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধও করেছেন বিক্ষুব্ধরা।
এছাড়া কয়েকটি জেলায় ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা ও তার জন্য দোয়ার আয়োজনও করেছে মানুষ।

কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন হাদি
আগের শুক্রবার নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত হওয়া ঢাকা ৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হাদি এদিন সন্ধ্যায় দেশে ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তিনদিন পর সঙ্কটজনক অবস্থায় সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নেওয়া হয়েছিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। তবে বাঁচানো যায়নি তাকে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যুর খবর আসে।
পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মরদেহ বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামে।
হাদির লাশের সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে আসেন তার বড় ভাই আবু বকর। বিমানবন্দরে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো হাদির কফিন বুঝে নিতে উপস্থিত ছিলেন তার বোন-জামাই আমিরুল ইসলাম এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেট দিয়ে হাদির কফিনবাহী গাড়িটি যখন বেরিয়ে আসে, সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিপুল সংখ্যক মানুষ।
সংসদের সামনে জানাজা, নজরুলের সমাধির পাশে দাফন
ইনকিলাব মঞ্চ এক ফেইসবুক পোস্টে লিখেছে, পরিবারের দাবির ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের আহ্বয়ককে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দুপুর ২টায় জানাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানাজার পর তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
এক সপ্তাহ আগে ভোটের প্রচারে গিয়ে হামলার শিকার হন হাদি; বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তার মৃত্যুর পর রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন।

দিনভর ক্ষোভ, প্রতিবাদ
হাদির মৃত্যুর খবর বৃহস্পতিবার রাতে দেশে পৌঁছানোর পর শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ শুরু হয় রাত সাড়ে ১০টার দিকে। হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেয় জুলাই মঞ্চের কর্মী-সমর্থকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে আসা শিক্ষার্থীরা তখন আধিপত্যবাদবিরোধী শিক্ষার্থীর ব্যানারে টিএসসির সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাঙচুরের খরব আসতে থাকে।
বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের মধ্যে বৃহস্পতিবার মাঝরাতে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর, ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সংবাদপত্র কার্ালয়ে হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে প্রথম আলোর সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি ডাকা হয়। ঢাকার কারওয়ানবাজারে সংবাদপত্রটির কার্যালয়ের সামনে বিকাল ৪টায় এ মানববন্ধন শুরু হয়। তবে হট্টগোলের কারণে কয়েক মিনিটের মাথায় কর্মসূচি শেষ হয়ে যায়।
পরিকল্পিতভাবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বলে মনে করে প্রথম আলো। দুই সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি)।
শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “এই ধরনের সংঘাত ও ভীতি প্রদর্শন অগ্রহণযোগ্য এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য জানার অধিকারের উপর আঘাত।”
এর আগে শুক্রবার সকালে দুই ভবন পরিদর্শন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
এদিকে শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ‘বর্বরোচিত হামলার’ ঘটনায় পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন সরকারপ্রধান।
ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হামলা’ হিসেবে দেখছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর এই হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হামলার শামিল। এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এক বিরাট বাধা সৃষ্টি করেছে।”
গানে গানে প্রতিবাদ ছায়ানটের
ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ‘ফৌজদারি অপরাধ’ এবং তা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থি’ বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, ওই হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার বিষয়ে সরকার ‘কাজ করছে’।
বেলা আড়াইটার দিকে ছায়ানট ভবন পরিদর্শনে যান তিনি। ছায়ানট ভবনে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে- এই বিষয়ে যা যা করণীয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছায়ানট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সেটা করবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
পরে ছায়ানট এক বিবৃতিতে বলেছে, “ছায়ানট একটি স্বেচ্ছাসেবী ও স্বনির্ভর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। ছায়ানট কোনো সরকার, বিদেশি সংস্থা বা করপোরেট অনুদান গ্রহণ করে না। সুতরাং, ছায়ানট আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে এই ক্ষতিপূরণ করবে। সঙ্গীত এবং শিশুদের সাধারণ শিক্ষায় এই সাময়িক বিঘ্নের দ্রুত প্রতিকার করতে বদ্ধপরিকর।”
বাঙালীর সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রতীক হয়ে ওঠা সংগঠনটি বলেছে, “ছায়ানটের কাজের ক্ষেত্র রাজনীতি নয়, সঙ্গীতসংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে বাঙালী জাতিসত্তাকে ধারণ করে ছায়ানট৷”

হত্যার প্রতিবাদে সোচ্চার বিএনপি-এনসিপি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ছায়ানটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মব তৈরি করে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের একটা অংশ বলে মনে করছেন।
বিএনপি ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় বলে তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দেশে মব, হামলা, ভাঙচুর এগুলো একটা ব্লু প্রিন্টের অংশ বলেই আমরা মনে করি।”
এসব কর্মকাণ্ডেরা মাধ্যমে বাংলাদেশে “উগ্রবাদকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা” করা হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মির্জ ফখরুল বলেন, “তবে বাংলাদেশে জোর করে চাপিয়ে, মব সৃষ্টি করে কিছু করা যাবে না। কারণ বাংলাদেশের উদার সংস্কৃতিতে এটা সম্ভব না”।
এসব সহিংসতাকে “নির্বাচন ঠেকানোর অপচেষ্টা” বলেও বিএনপি মনে করছে বলে জানান মির্জা ফখরুল।
গণমাধ্যমের ওপর হামলার ঘটনায় এমএফসির নিন্দা
অপরদিকে শুক্রবার কর্মসূচি দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বিবিসি লিখেছে, সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার পর এবার কর্মসূচি পালনের সময় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
একইসঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকায় জুমার পরে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচিও স্থগিত করেছে দলটি।
এর পরিবর্তে বিকাল ৪টায় বাংলামোটর থেকে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজিত হবে বলে জানান নাহিদ ইসলাম।
পরে বাংলা মোটরে সংবাদ সম্মেলনে এসে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হাদি হত্যার প্রতিবাদে সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে নেমে এসে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “আমরা ভারতীয় অ্যাম্বাসি ভাঙচুর করতে চাই না। যারা এই ধরনের উস্কানিমূলক কাজকর্ম করতে চায় আমরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণকে বলব অহিংস এবং গণতান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশের রাজপথে নেমে আসুন।
“যারা এখানে সাবোটাইজ করতে চায়, সাংবাদিকদের উপরে হামলা করতে চায়, যারা বিভিন্ন দূতাবাসে আক্রমণ করতে চায়, তাদেরকে আপনারা নিবৃত্ত করে আপনাদের ভাই বোন হিসেবে সহযোগী হিসেবে রাজপথে নিয়ে আসুন।"


বিজিবি মোতায়েন
হাদির মরদেহ দেশে আসার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীটির এক বার্তায় জানানো হয়, বিমানবন্দর এলাকা, কারওয়ানবাজার ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।

কঠোর কর্মসূচি দেবে ইনকিলাব মঞ্চ
জুলাই অভ্যুত্থানে অনুপ্রাণিত হয়ে গঠন করা প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ তার প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম হাদির হত্যার বিচারের দাবি জারি রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এ দাবিতে ‘খুব দ্রুতই’ তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। সেই ঘোষণা ছাড়া অন্য কারো কোনো নির্দেশনা বা প্ররোচনার ফাঁদে না পড়ার অনুরোধ জানানো হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সাঈদ হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের কর্মসূচি এখনো ফাইনাল হয়নি। আলোচনা চলছে। ফাইনাল হলে আমরা ইনকিলাব মঞ্চ ফেসবুক পেইজে জানিয়ে দিব।”
হাদি হত্যা: জেলায় জেলায় সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ