Published : 25 Jul 2026, 08:08 PM
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা, ইংরেজি ও মাদ্রাসা মাধ্যম- তিন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার কারণে ‘জগাখিচুড়ি’ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, “সারা দেশের আমাদের লেখাপড়া সিস্টেমের মধ্যে একটা জগাখিচুড়ি চলে এসেছে। আমরা শুরু করি একটা বাংলা মিডিয়াম, একটা ইংলিশ মিডিয়াম, একটা মাদ্রাসা।
“তিন-চার ধরনের শিক্ষা দিয়ে আমরা জনসংখ্যাটি বড় করে ফেলছি। এরা যখন একটা মোটামুটি ম্যাচিউর লেভেলে যায়, তারপরে আগের ধাপের কাঠামোগত যে দুর্বলতা, সেটা চাপ ওপরে গিয়ে লাগছে।”
শনিবার দুপুরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সিলেটের ক্যামব্রিজ কারিকুলামভিত্তিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল রয়েল ইনস্টিটিউট অব স্মার্ট এডুকেশন (রাইজ) ও ইউরোকিডস প্রি-স্কুলের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “যদি প্রাইমারি ও হাই-স্কুল লেভেলে লেখাপড়া স্ট্যান্ডার্ড না হয়, প্রোপার সাবজেক্টই যদি স্কুলে না থাকে, সেটা মাদ্রাসা, বাংলা-ইংলিশ স্কুল। তাহলে সে ভোগান্তিতে পোহানো লাগে, হায়ার স্টাডিজে ঢুকতে, এরপরে চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে।
“এই শূন্যতা পূরণের জন্য এবং দেশের মধ্যে যদি তিন-চার ধরনের পপুলেশন তৈরি না করি, তিন-চার ধরনের ভিন্ন যোগ্যতার বাচ্চা যদি তৈরি না করি। সেজন্য কারিকুলামগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্যতা নিয়ে আসতে হবে। সেটা মাদ্রাসা বা বাংলা, ইংলিশ মিডিয়াম হোক, এদের স্ট্যান্ডার্ডের মধ্যে একটা ক্লোজ প্রক্সিমিটি নিয়ে আসতে হবে।”
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “কতগুলো সাবজেক্ট, সেটা বেসিক সাবজেক্ট হিসেবে, যে ক্লাসে পড়ানো হোক, সেখানে তার উপস্থিতি থাকতে হবে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে আইটি শিক্ষা-কম্পিউটার ট্রেনিং।”
অনুষ্ঠানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খায়রুল ইসলাম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, রাইজ স্কুলের চেয়ারম্যান ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী এবং ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে রাইজ স্কুল ও ইউরোকিডস প্রি-স্কুলের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন গাউন ও ক্যাপ পরানো হয় এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।