০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সুরের মূর্ছনা আর অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাসের কলতান যে মাটিকে ধন্য করেছে, সেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কি আজ কেবলই উগ্রতার চাদরে ঢাকা পড়বে?
এবারের রবীন্দ্র উৎসব শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ না বরং বিশ্বজুড়ে চলমান মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলীর।
চার দিনের উৎসব আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পাশাপাশি ছায়ানট, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ আয়োজন করেছে।
এতে ব্যবহৃত হয়েছে সন্জীদা খাতুনের স্বাক্ষর এবং তার ব্যবহৃত শাড়ির পাড়; যা এক অনন্য ‘আবেগময় স্পর্শ’ যোগ করেছে।
রাজধানীর রমনা বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভিড়।
বৈশাখের প্রথম প্রভাতে রমনা বটমূলে গানে গানে বঙ্গাব্দ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিল ছায়ানট। রাজধানীর রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল সোয়া ৬টায় সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন। অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখেন ছায়ানট সভাপতি সারওয়ার আলী।
বৈশাখের প্রথম প্রভাতে রমনা বটমূলে গানে গানে বঙ্গাব্দ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিচ্ছে ছায়ানট। রাজধানীর রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন।
যুদ্ধে বিপর্যস্ত, আতঙ্কিত পৃথিবীতে ‘নির্ভয়ে গাইতে পারা’ এবং ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রত্যাশায়’ ভোরের আলো ফুটতে ফুটতে ভৈরবীর রাগালাপে সূচনা হয় ছায়ানটের ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বরণের প্রভাতী আয়োজন। নারী-পুরুষ-শিশু সবাই মঙ্গলবার ভোরে রমনা বটমূলে আসেন বৈশাখী সাজে।