২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
স্বাধীনতার পর তার কণ্ঠেই দেশবাসী প্রথম বিজয়ের সংবাদ শুনেছিল। কামাল লোহানী আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া গণসংস্কৃতির চেতনা আজও অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগায়। আজ তার ৯২তম জন্মদিনে তাকে বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি।
“মা বাইরে যতখানি কঠিন ছিলেন, ভেতরে ছিলেন একেবারে একজন অসাধারণ গৃহী মানুষ,” বলেন সাঈদা কামাল।
সমাপনী অনুষ্ঠান কয়েকটি অংশে ভাগ করে শিল্পীদের সম্মিলিত পরিবেশনা, একক গান, আবৃত্তি ও নৃত্যসহ নানা আয়োজন রাখা হয়।
শুরুতেই ছায়ানটের শিল্পীরা 'স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে' শিরোনামে নৃত্যগীত পরিবেশন করেন।
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সুরের মূর্ছনা আর অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাসের কলতান যে মাটিকে ধন্য করেছে, সেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া কি আজ কেবলই উগ্রতার চাদরে ঢাকা পড়বে?
এবারের রবীন্দ্র উৎসব শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ না বরং বিশ্বজুড়ে চলমান মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলীর।
চার দিনের উৎসব আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পাশাপাশি ছায়ানট, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ আয়োজন করেছে।
এতে ব্যবহৃত হয়েছে সন্জীদা খাতুনের স্বাক্ষর এবং তার ব্যবহৃত শাড়ির পাড়; যা এক অনন্য ‘আবেগময় স্পর্শ’ যোগ করেছে।