Published : 19 Jun 2026, 12:47 AM
জেল-জরিমানার বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
‘অনলাইন জুয়া’, ‘দূরবর্তী জুয়া’, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়াসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক হয় জাতীয় সংসদ ভবনে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়ার বিস্তার ঘটেছে। এসব জুয়া বন্ধে ‘দ্যা পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ হালনাগাদ করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।
আইনে অপরাধের ধরনভেদে অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এদিন পাবলিক পরীক্ষার ফল অবৈধভাবে পরিবর্তন এবং পরীক্ষা জালিয়াতি করলে কিংবা বা জালিয়াতি চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘দ্যা পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ এর খসড়াতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্যা পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়।
“বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়।”
সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল মেনিপুলেশন’ শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
‘ডিজিটাল মেনিপুলেশন’ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।