Published : 21 Jul 2026, 08:09 PM
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা সদস্যসহ আরও দুজনের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, তদন্তের স্বার্থে ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হকের কাছে দুজনের ডিএনএ সংগ্রহের আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আদালত ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুতের পাশাপাশি তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন।
যে দুজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন- সিরাজগঞ্জ জেলার মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষীনগর গ্রামের এম এ হান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাব্বাী।
রাব্বী সামরিক নাকি বেসামরিক ব্যক্তি সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়।
১০ বছর পর চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে সাবেক তিন সেনা সদস্যের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির আবেদন করেন।
তারা হলেন- এ মামলার প্রধান আসামি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলম।
এর পর ২২ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান। তখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডেও পায় পুলিশ। হাফিজুর এখন কারাগারে আছেন।
এ ছাড়া সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান এবং সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেয় আদালত।
আরও পড়ুন:
১০ বছর আগের তনু হত্যায় প্রথম গ্রেপ্তার, সাবেক ওই সেনা সদস্য রিমান্ডে
কুমিল্লায় তনু হত্যা: ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ