Published : 11 May 2026, 12:11 PM
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তা কালাম একদিন পর মারা গেছেন।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।
৩৫ বছর বয়সি কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। একই হাসপাতালে তার স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং দুই মেয়ে কথা (৭) ও মুন্নি (১০) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়েছে।
রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে ৩ শিশু সন্তানসহ দগ্ধ হন এ দম্পতি।
পরে পাঁচজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তাদেরকে ‘আশঙ্কাজনক’ অবস্থায় হাসাপতালে আনা হয় বলে জানিয়েছিলেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।
কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা, তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, ওই বাসার একটি কক্ষের সঙ্গে থাকা রান্নাঘরে গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। এতে বন্ধ কক্ষে গ্যাস জমে আগুনের সংস্পর্ষে এসে বিস্ফোরণ ঘটে।
এদিকে ফতুল্লারই আরেকটি বাসায় সোমবার সকালে গ্যাস লিক থেকে বিস্ফোরণে তিন সন্তানসহ বাবা দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকেও গুরুতর অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।