Published : 09 Apr 2026, 02:26 PM
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের ‘শান্তিপূর্ণ’ পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেছেন, “ভোটার উপস্থিতি উপ-নির্বানে কম হলেও ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে যা বোঝায়, সেটা আমরা দেখাতে চাই।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বগুড়া ও শেরপুরের ভোটের পরিস্থিতি দেখে তিনি এ কথা বলেন। অপর নির্বাচন কমিশনাররা এবং ইসি সচিব এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।
সিইসি বলেন, “আমরা আসন দুটিতে ড্রোন থেকে আরম্ভ করে এভরিথিং ইউজ করছি। সম্পূর্ণ সায়েন্টিফিক মেথডে আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে এটা মনিটর করছি। আমাদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেমন সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে, এইটাও যাতে অন্তত ওর চাইতে ভালো ছাড়া খারাপ না হয়, সেটাতে আমরা জোর দিয়েছি। সুন্দরভাবে ও স্মুদলি এই ইলেকশনটা যাতে হয়, সেজন্য সব ধরনের অ্যারেঞ্জমেন্ট আমরা নিয়েছি।”
শেরপুর যে সীমান্তবর্তী এলাকা, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “ওখানে আর্মিকে বর্ডার থেকে একটু দূরে থাকতে হয়। এজন্য ওখানে বিজিবি বাড়ানো হয়েছে। র্যাব, পুলিশ তো আছেই।”
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন তিনি ছেড়ে দেওয়ায় এখন সেখানে উপ নির্বাচন হচ্ছে।
আর তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিলদ সেখানে এখন সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে।
সংসদ নির্বাচনের সময় ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে আর গণভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রে ৪ লাখ ৫০ হাজার ভোটারের ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। আর শেরপুর-৩ আসনে ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার; ভোটকেন্দ্র ১২৮টি।
নির্বাচনের পরিস্থিতি জানিয়ে সিইসি বলেন, “সকাল সাড়ে ৭টার সময় আমি প্রথম রিপোর্ট পাই। সেখানে পরিবেশ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে বলে জানানো হয়েছে। মানুষ নির্ভিঘ্নে আসছে, ভোট দিচ্ছে।”
উপ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার প্রবণতা থাকলেও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে নাসির উদ্দীন বলেন, “বাই-ইলেকশনে সাধারণত একটা টেনডেন্সি থাকে ভোটার টার্ন আউট কম হওয়ার। তারপরেও দেখা যাক কি হয়।
“তবে মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে আসছে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তারা নিজ বাড়িতে ফেরত যাচ্ছে। ইলেকশন বলতে সারা বিশ্বব্যাপী যা বোঝায়, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে যা বোঝায়, সেটা আমরা দেখাতে চাই।”