২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
নির্বাচন ভবনে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বগুড়া ও শেরপুরের ভোটের পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
সংসদ নির্বাচনের সময় ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।
প্রতি আসনে ৪০০ পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি করে বাক্স রাখা হচ্ছে।
১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকালে সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাদের ব্যালট পেপার পৌঁছাবে, তাদের ব্যালট গণনা করা হবে।
সব ব্যালট হাতে পৌঁছালে কারাগারে বুথ স্থাপন করে ভোট গ্রহণ করা হবে।
দেশে ভোটগ্রহণের দিন বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট পোঁছালেই কেবল সেটি গণনায় আসবে।
নিবন্ধনকারীদের মধ্যে প্রবাসী, সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কারাগারে থাকা ভোটাররা রয়েছেন।