Published : 01 May 2026, 05:58 PM
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি, সামাজিক অবক্ষয় এবং অতিরিক্ত ডিভাইস ‘আসক্তি’ থেকে নিরাপদ রাখতে ক্রীড়া চর্চা সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।
একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরুর আগে শুক্রবার এক বাণীতে তারেক রহমান এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা করছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শিশু-কিশোরদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ, নেতৃত্ব এবং দলগত ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করবে, যা হবে একটি ‘আদর্শ ও শক্তিশালী’ রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শনিবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের জন্য ঐতিহ্যবাহী নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানের যে ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে, তারই অনুপ্রেরণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরো সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে এবার সারাদেশ থেকে খুদে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে আনতে বর্তমান সরকারের এই নতুন প্রয়াস।”
এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ‘সুপ্ত প্রতিভা’ খুঁজে বের করে তাদের জন্য একটি টেকসই ও পেশাদার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, “দেশের জনগণের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ছিল, আমরা ক্রীড়াকে একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব এবং খেলোয়াড়দের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। ইতোমধ্যে সরকার জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে নতুন ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস।
“যেসব কিশোর-কিশোরী খেলাধুলায় নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবে, তারা যেন ভবিষ্যতে কোনো অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় না পড়ে এবং নিশ্চিন্তে খেলাধুলাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, সরকার ইতোমধ্যে সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে।”
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্রীড়াবৃত্তি, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর মাধ্যমে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
“আমাদের লক্ষ্য সারাদেশ থেকে অন্বেষিত ক্রীড়া প্রতিভাগুলোকে পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমনভাবে প্রস্ফুটিত করা, যাতে ভবিষ্যতে এই খুদে ক্রীড়া প্রতিভাগুলো থেকেই বিভিন্ন স্পোর্টস ইভেন্টে দেশসেরা ক্রীড়া তারকা তৈরি হয়।”