Published : 01 Mar 2026, 05:36 PM
ঢাকায় ইফতার আয়োজনে যোগ দেওয়ার পর আটক হওয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ তথ্য দিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা আছে কি না, সেই বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।
শাহ্ আলম ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। শনিবার তাকে আটক করা হয়।
তার ছেলে মো. সাগর বলেন, তার বাবা এক ইফতার আয়োজনে যোগ দিতে সেদিন বিকালে ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গেলে লোকজন তাকে চিনতে পেরে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
“এ সময় উত্তেজনা তৈরি হলে লোকজন রমনা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে বাবাকে থানায় নিয়ে যায়।”
রোববার ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন রমনা মডেল থানার এসআই নবী হোসেন।
কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, শাহ আলম কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রমনা মডেল থানাধীন আইডিইবি (ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ) ভবনে আসেন।
তিনি আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘বিরুদ্ধে’ কাজ করেছেন। তার নামে একাধিক মামলা থাকায় স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে এবং পুলিশে হস্তান্তর করেন।
আবেদনে বলা হয়, থানায় নিয়ে সাবেক এমপিকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো ‘সন্তোষজনক’ জবাব দিতে পারেননি। অপরাধে জড়িত সন্দেহে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।
তার বিষয়ে থানা কোনো অভিযোগ আছে কিনা এবং তার বিদেশে যাওয়া আসার বিষয়ে যাচাই বাছাই চলছে। এ অবস্থায় ‘সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের’ স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।