Published : 12 Oct 2025, 10:20 PM
নিবন্ধনের পথে টিকে থাকা ১০টি দলের মাঠ পর্যায়ের তথ্য পুনরায় তদন্ত করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এলক্ষ্যে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. নাজমুল কবীরের সই করা চিঠিতে বলা হয়, সাত কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে ‘সুস্পষ্ট’ মতামতসহ ইসি সচিবালয়ে জমা দিতে হবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।
আরও ১০টি দলের পুনতদন্তও চলছে।
ইসির চিঠিতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন এরই মধ্যে কমিশন পর্যালোচনা করেছে। মাঠ পর্যায়ের প্রাথমিক তথ্য কিংবা মতামতে কিছু ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কিংবা যথাযথ মন্তব্যে ঘাটতি ছিল। এ কারণে যাচাই কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ১০টি দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ‘অস্তিত্ব ও কার্যকারিতার’ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়।
কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১০টি দলের মাঠ পর্যায়ের তথ্য পুনঃতদন্ত করা হবে।
এসব দলের তালিকায় আছে—আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, জনতা পার্টি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি।
এসব দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অস্তিত্ব ও কার্যকারিতার বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করার জন্য ১০ অঞ্চলে একজন উপসচিব, একজন অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (সংশ্লিষ্ট অঞ্চল) এবং একজন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে (সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আওতাধীন) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে হলে দলের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি, এক তৃতীয়াংশ জেলা ও ১০০টি উপজেলায় কমিটি থাকতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণও দেখাতে হয়।
নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে সংশ্লিষ্ট দলের বিষয়ে কারো কোনো আপত্তি আছে কিনা, তা জানতে চেয়ে এখন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
আপত্তি থাকলে তা শুনানি শেষে নিবন্ধিত দলের নাম চূড়ান্ত করে গেজেট করা হবে এবং দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে।