০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

লালমনিরহাটে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি মোটরসাইকেল।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jan 2026, 08:52 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:47 PM

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাট-১ আসনের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। 

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি মোটরসাইকেল।

রোববার বিকালে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের কাসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছেন হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের কর্মীর বাড়িতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। 

বিষয়টি নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। এছাড়া চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ  বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করে বলেন, তাদের নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হন। এতে তার দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা বলেন, “নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”

এছাড়া পাটগ্রামে নির্বাচনি কর্মশালা শেষে ফেরার পথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার এবং লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। তারাও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।