২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, গীতিকবি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
রূপালি পর্দার ভুবনভুলানো হাসি কীভাবে একাত্তরের রণাঙ্গনে হয়ে উঠেছিল এক অমোঘ অস্ত্র? ‘মিষ্টি মেয়ে’র জৌলুস যখন বিনোদন ছাপিয়ে পরিণত হলো স্বাধীনতার সংলাপে। বাসের শরণার্থী থেকে আকাশবাণীতে ভাষণ প্রচার—চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কবরীর জীবনের সেই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ও রোমাঞ্চকর অধ্যায় তুলে ধরে জন্মদিনে তাকে গভীর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ।
প্রতিবাদের ভাষা যখন শালীনতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করে, তখন কি আন্দোলনের নৈতিক মান খর্ব হয় না? বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে রাজপথের দেয়ালে ছড়িয়ে পড়া কদর্য স্লোগান নিয়ে নীরবতা কি এই কর্দমাক্ত স্রোতকেই পৃষ্ঠপোষকতা করছে না?
হামে শিশু মৃত্যু যেমন প্রতিরোধযোগ্য, তেমনি ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধও। যখন কাফনে মোড়ানো ছোট্ট দেহগুলো দেখি, তখন মনে হয়, আমরা কোনো সভ্য দেশ নই, বরং বর্বরতার এক প্রদর্শনী কেন্দ্র।
একদিকে মুসা খান মসজিদের মতো মোগল স্থাপনা সংস্কারে অর্থায়ন, অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অসম এক বাণিজ্য চুক্তির জোয়াল— এই দ্বিমুখী নীতির গভীরে লুকিয়ে আছে কোন ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য?
ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা এসেছে আইনসভা ও প্রশাসনিক হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে; বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রু সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। এই মৌলিক পার্থক্যই বাংলাদেশকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় এক বিরল ‘যুদ্ধজয়ী রাষ্ট্র’ করে তুলেছে।
১৯৭১ সালে রক্তাক্ত বাংলার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের কিছু সাহসী মানুষ—যারা অস্ত্র ধরেননি, কিন্তু কলম, ক্যামেরা, ত্রাণ, রাজনীতি ও বিবেক দিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন।