Published : 23 Jan 2026, 01:33 AM
মনোনয়নপত্র জমা, প্রত্যাহার, বাছাই ও প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এবার পুরোদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন প্রার্থীরা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটের জনসভা দিয়ে তার নির্বাচনি যাত্রা শুরু করেছেন।
শেরেবাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার জিয়ারত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি।
এছাড়া রাজনৈতিক শীর্ষনেতাদের মধ্যে যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তাদের বড় অংশ নিজ-নিজ আসনে প্রচার শুরুর কথা রয়েছে।
দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী; বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও তরুণদের দল এনসিপিসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। তাদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিতে প্রথমবারের মত নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ভোটের প্রচারে ড্রোন ব্যবহারে দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনি আচরণবিধিতে বিদেশে প্রচার চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে ‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারও নিষিদ্ধ।
কেবল পোস্টার নয়, রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদানে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন বা ব্যানারও ব্যবহার করা যাবে না।
কোনো প্রার্থী কিংবা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা এবং বাস, ট্রাক বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো ধরনের লিফলেট বা হ্যান্ডবিল কিংবা ফেস্টুন সাঁটাতে পারবেন না। ফেস্টুন অবশ্যই কাপড় বা চটের তৈরি হতে হবে।
প্রচারের সময়সীমা
• প্রচার শুরু: ২২ জানুয়ারি সকাল থেকে
• শেষ: ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা
• ভোটগ্রহণ: ১২ ফেব্রুয়ারি
আরও যা যা মানতে হবে
ভোটের প্রচারে বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রতি সংসদীয় আসনের প্রত্যেক ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড প্রতি একটি অথবা সমগ্র নির্বাচনি এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টি; এর বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।
বিলবোর্ডের আকার ১৬ ফুট লম্বা ও ৯ ফুট চওড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল এবং ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে। এসব প্রচারসামগ্রীতে প্রতীক ও প্রার্থীর নিজের ছবি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপানো যাবে না।
ব্যানারের আকার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট; ফেস্টুনের আকার ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি; এবং লিফলেট এ-ফোর সাইজের মধ্যে রাখতে হবে।
প্রচার শুরুর আগে দল ও প্রার্থীকে বিস্তারিত প্রচার পরিকল্পনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে বলা হয়েছিল এবার। সেখানে ব্যবহৃত প্রচারসামগ্রী এবং অনলাইন প্রচারে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছিল।
নির্বাচনি প্রচারে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, তবে তা শুধু দলীয় শীর্ষ নেতাদের যাতায়াতের জন্য। কোনো ধরনের প্রচারসামগ্রী নিক্ষেপ বা প্রদর্শন করা যাবে না।
প্রতি সমাবেশে সর্বোচ্চ তিনটি লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে আচরণবিধিতের। তবে সাধারণ প্রচারেরে জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না।
শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলের বেশি হতে পারবে না। ব্যবহার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
ঘৃণাসূচক বক্তব্য, ভুয়া বা বিকৃত তথ্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা যাবে না। ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতি উসকে দিয়ে ভোট আদায়ের চেষ্টাও নিষিদ্ধ।
প্রচারে ড্রোন বা অনুরূপ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনের দিনও এসব নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো যাবে, তবে ব্যবহৃত সব অ্যাকাউন্ট আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিবন্ধন করতে হবে। অনলাইনে ক্ষতিকর বা নিষিদ্ধ কোনো কনটেন্ট পোস্ট করা যাবে না।
নির্বাচনি আচরণবিধিতে দল ও প্রার্থীকে পৃথক অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলকেও জরিমানার আওতায় আনা হবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকারনামায় বলা হয়েছে, তারা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালার সব বিধান মেনে চলবে। এ অঙ্গীকারনামায় দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা সমমর্যাদাসম্পন্ন পদধারীরা স্বাক্ষর করেছেন।
প্রার্থীকেও আলাদা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। সেখানে তিনি ও তার নির্বাচনি সহযোগীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এতে প্রার্থী ও দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর রয়েছে।
আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।
নির্বাচনি ব্যয়
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। তবে ভোটার সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি হলে জনপ্রতি ১০ টাকা হারে অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগ থাকবে।
আড়াই লাখের কম ভোটার রয়েছে এমন তিনটি আসনে ২৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের সুযোগ নেই।
বাকি ২৯৭ আসনের প্রার্থীরা ২৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যয়ের সুযোগ রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে, যেখানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৮০ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবেন।
৩০০ সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ থেকে ভোটগ্রহণ পর্যন্ত প্রার্থীদের যাবতীয় ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। ভোটে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রেও নির্বাচনী আইনে ব্যয়সীমা নির্ধারিত রয়েছে।
ভোটের মাঠে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে তদারক করতে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে প্রতিটি উপজেলায় দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে আসনভিত্তিক নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটিও কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও অনুসন্ধান কমিটিই মূলত মাঠপর্যায়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেন, "নির্বাচন কমিশনে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সমন্বয় ও মনিটরিং করতে সেল রয়েছে। আমরা নিয়মিত মাঠের প্রতিবেদন নিচ্ছি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের নিয়ে মত বিনিময় করছে।
চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা, কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক, দিকনির্দেশনা দেবেন।
অনলাইনে প্রচারে প্রার্থীরা
এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মত অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার আচরণবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থীরা ফেইসবুক, ইউটিউব ও এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মত প্ল্যাটফর্মগুলোতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
কোনো প্রার্থী বা তার এজেন্টরা অনলাইনে প্রচার চালাতে পারলেও তার আগে সংশ্লিষ্ট সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের নাম, আইডি এবং ই-মেইল ঠিকানা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারে যেসব নির্দেশনা মানতে হবে–
• প্রচারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা যাবে না।
• ঘৃণাবাচক বক্তব্য, ভুল তথ্য, কারো চেহারা বিকৃত করা ও নির্বাচন সংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ কোনো প্রকার ক্ষতিকর কনটেন্ট বানানো ও প্রচার করা যাবে না।
• প্রতিপক্ষ, নারী, সংখ্যালঘু বা অন্য কোন জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ঘৃণাবাচক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না; নির্বাচনি স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার করা যাবে না; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত সকল কনটেন্ট শেয়ার ও প্রকাশ করার আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে।
• রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, ভোটারদের বিভ্রান্ত করার জন্য কিংবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কোনো প্রার্থী বা ব্যক্তির চরিত্র হনন কিংবা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে, সাধারণভাবে বা সম্পাদন করে কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, পক্ষপাতমূলক, বিদ্বেষপূর্ণ, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ এবং মানহানিকর কোনো কনটেন্ট তৈরি, প্রকাশ, প্রচার ও শেয়ার করা যাবে না।
• গুজব ও এআই অপব্যবহার বন্ধে নির্বাচনি অপরাধ বিবেচনায় শাস্তির বিধান রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে এবার নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য জেসমিন টুলী বলেন, পোস্টারবিহীন এই নির্বাচনে ডিজিটাল প্রচারের ফলে পরিবেশ দূষণ ‘কমবে ঠিকই’, তবে অনলাইনে গুজব ঠেকানোই হবে নির্বাচন কমিশনের জন্য সব থেকে ‘বড় চ্যালেঞ্জ’।
সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে নানামুখী অপপ্রচার মোকাবিলা করাই ‘বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ’ বলে মনে করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনও।
মঙ্গলবার তিনি বলেন, “এখন তো জানেন আপনারা এআই এর যুগ, এআই নিয়ে আমি শঙ্কা একদম প্রথম থেকেই প্রকাশ করে আসতেছিলাম যে এটা আমাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
“এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাটা হবে আমাদের জন্য একটা বড় ধরনের একটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে, এরকম একটা, আমি একদম প্রথম থেকে, গোড়া থেকে বলে আসতেছিলাম।”
এদিকে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় সেল খুলেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম ও অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ বা তথ্য টেলিফোনের মাধ্যমে সম্বনয় সেলে জানাতে পারবেন সাধারণ নাগরিকরা।
সেলের সাথে যে সব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে সেগুলো হল: ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর: ০১৫৫০-০৬৪২২৬ (হোয়াটসঅ্যাপ) ও ০১৫৫০-০৬৪২২৭।
নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যে কোনো অভিযোগের জন্য এসব নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা করেছে মন্ত্রণালয়।
পুরনো খবর
এআই মোকাবিলাই 'বড় চ্যালেঞ্জ', বলছেন সিইসি
ভোটে এআই দিয়ে অপপ্রচার, 'সরাসরি কনটেন্ট সরাতে পারে না' সরকার