Published : 03 May 2026, 04:21 PM
ইরান যুদ্ধ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফ-৩৫ ও এফ-১৫আই যুদ্ধবিমানের দুটি নতুন স্কোয়াড্রন কেনার পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল।
রোববার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েল মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিন ও বোয়িং থেকে ১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার মূল্যে এসব যুদ্ধবিমান কিনবে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের নিয়ে প্রতিরক্ষা ক্রয় কমিটি ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য লকহিড মার্টিন থেকে চতুর্থ এফ-৩৫আই স্কোয়াড্রন ও বোয়িং থেকে দ্বিতীয় এফ-১৫আইএ স্কোয়াড্রন কেনার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “এসব যুদ্ধবিমান ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের একটি ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে ভূমিকা রাখবে, এগুলো ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক হুমকি মোকাবেলা করবে এবং ইসরায়েলের কৌশলগত বিমান শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষা করবে।”
এই যুদ্ধবিমানগুলো ক্রয়ের মাধ্যমে আগামী বছরগুলোতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর এফ-৩৫আই এর বহর ১০০-তে উন্নিত হবে আর ১৫আইএ, যার ইসরায়েলি সংস্করণ অত্যাধুনিক এফ-১৫ইএক্স, এর বহর ৫০টিতে উন্নিত হবে।
প্রাথমিকভাবে ৫০টির ক্রয়াদেশ দেওয়ার পর ইসরায়েলের এখন ৪৮টি এফ-৩৫আই যুদ্ধবিমান আছে। ২০২৩ সালে তারা আরও ২৫টি এফ-৩৫ এর ক্রয়াদেশ দিয়েছে যেগুলো ২০২৮ সালের প্রথমদিকে সরবরাহ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে ইসরায়েল ২৫টি এফ-১৫আইএ যুদ্ধবিমানের ক্রয়াদেশ দিয়েছিল, এগুলোর ২০৩১ সাল থেকে সরবরাহ করা শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, “ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে আরেকবার ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর ক্ষমতা ও ইসরায়েলকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে এর নির্ণায়ক ভূমিকা প্রদর্শিত হয়েছে।”
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ব্যাপকভাবে এফ-৩৫ ও এফ-১৫আই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে।
আরও পড়ুন:
পশ্চিম এশিয়ার মিত্রদের কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র