Published : 14 Jan 2026, 07:19 PM
গ্রিনল্যান্ডে আগামী মাসে কনস্যুলেট খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফ্রান্স। এই কনস্যুলেট স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ থাকার আকাঙ্খারই প্রতিফলন।
বুধবার এক বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো বলেছেন, ফ্রান্স আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রিনল্যান্ডে একটি কনস্যুলেট খুলবে।
তিনি এ পদক্ষেপকে একটি ‘রাজনৈতিক সংকেত’ বলে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মধ্যে ফ্রান্স এই পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিল।
ব্যারো বলেন, “এ পদক্ষেপ একটি রাজনৈতিক সংকেত, যা বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রসহ গ্রিনল্যান্ডে আরও বেশি উপস্থিতি বজায় রাখার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত।”
তিনি বলেন, “গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীনে যেতে চায় না, শাসিত হতে চায় না... কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূতও হতে চায় না। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক, নেটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-কে বেছে নিয়েছে।”
ট্রাম্পের বারবার গ্রিনল্যান্ড একভাবে না হলে অন্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাওয়ার কথাবার্তা নেটো জোটে সংকট সৃষ্টি করেছে।
এই জোটে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদেশগুলো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, গ্রিনল্যান্ড কোনওভাবে দখল করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্কে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে।
গ্রিনল্যান্ড এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ‘কার্যত উড়িয়ে দিয়ে’ বলেছে, তারা ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ডেনমার্ক যে কোনও একটিকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার দ্বীপ ইউরোপের দেশটির অংশ হয়ে থাকতেই পছন্দ করবে।