সিঙ্ক হাতে টুইটার দপ্তরে নতুন ‘চিফ টুইট’
মাস্কের টুইটার কার্যালয়ে প্রবেশের ভিডিও দেখে সমালোচকরা বলছেন, ভাব দেখে মনে হচ্ছে যেন এর মধ্যেই কোম্পানির মালিক হয়ে গেছেন তিনি।
অধিগ্রহণ চুক্তি সারতে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের ৪৮ ঘণ্টা বাকি থাকতেই টুইটার সদর দপ্তরে পা দিয়েছেন নয়া ‘চিফ টুইট’; সঙ্গে নিয়ে এসেছেন একটি সিঙ্ক!
সিঙ্ক হাতে টুইটারের কার্যালয়ে প্রবেশের একটি ভিডিও মাস্ক নিজেই টুইট করেছেন।ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এন্টারিং টুইটার এইচকিউ – লেট দ্যাট সিঙ্ক ইন’। টুইটারে তিনি নিজের পরিচয় দিচ্ছেন ‘চিফ টুইট’ বলে।
মাস্ক আদৌ আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ে মধ্যে মালিকানা হাতবদলের আনুষ্ঠানিকতা সারবেন কি না, সেই সংশয় অনেকটাই দূর হয়েছে টেসলার ‘টেকনোকিং’ এর ওই পোস্টে।
প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ভার্জ জানিয়েছে, কোম্পানির সবচেয়ে বড় শেয়ার মালিক হিসেবে ইলন মাস্ক শুক্রবারেই হয়ত কর্মীদের উদ্দেশে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে পারেন।
নানা নাটকীয়তা শেষে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টুইটার কিনে নিচ্ছেন মাস্ক। তার টুইটার কার্যালয়ে প্রবেশের ভিডিও দেখে সমালোচকরা বলছেন, ভাব দেখে মনে হচ্ছে এর মধ্যেই তিনি কোম্পানির মালিক হয়ে গেছেন।
মাস্ক নিজের টুইটার প্রোফাইলে নিজেকে ‘চিফ টুইট’ পদবী দেওয়াতেও অবাক হননি সমালোচকরা। টেসলা প্রধান হিসেবে নিজেকে ‘টেকনোকিং অফ টেসলা’ বলে পরিচয় দেন তিনি।
সিঙ্ক হাতে টুইটার কার্যালয়ে প্রবেশের অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করেননি মাস্ক। তবে, পরের এক টুইটে বলেছেন, “আজকে টুইটারে চমৎকার সব মানুষের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।”
কিন্তু এই ‘চমৎকার’ মানুষদের অনেককেই মাস্কের আইনজীবীরা এক পর্যায়ে প্রতারক হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন এবং তাদের অনেকেই সম্ভবত শিগগিরই চাকরি হারাতে যাচ্ছেন; ভার্জের প্রতিবেদন সেরকম ইংগিতই দিচ্ছে।
কদিন আগেই খবর রটেছিল, মালিকানা নিজের অধীনে আসার পর খরচ কমাতে টুইটারের ৭৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করবেন বলে বিনিয়োগকারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মাস্ক।
তবে, নতুন কোনো জটিলতা দেখা না দিলে শেয়ার প্রতি ৫৪ ডলার ২০ সেন্ট দামে সম্ভবত মাস্কের অধীনেই যাচ্ছে টু্ইটার।
বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রসঙ্গে চুপ ‘চিফ টুইট’
টেসলার ‘সেলফ ড্রাইভিং’ প্রযুক্তি নিয়ে যে বিচারিক তদন্ত চলছে, সে প্রসঙ্গে এখনও মুখ খোলেননি মাস্ক।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, নিজস্ব বিদ্যুৎচালিত গাড়িগুলোর স্বচালনার সক্ষমতা আছে বলে টেসলা ইনকর্পোরেটেড যে দাবি করে আসছে, তার সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।
তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন বিচার বিভাগ গত বছর তদন্ত শুরু করলেও গোপন রাখা হয়েছিল বিষয়টি।
‘অটোপাইলট’ ব্যবস্থা চালু থাকা অবস্থায় এক ডজনের বেশি টেসলা গাড়ির দুর্ঘটনা এবং একাধিক প্রাণহানির জেরেই তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।
