০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্যাট মানেই খারাপ? জেনে নিন দেহে মেদ থাকা কেন প্রয়োজন

চরম মাত্রায় ফ্যাট কমানোর অন্ধ মোহে না ছুটে দেহের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ধরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ফ্যাট মানেই খারাপ? জেনে নিন দেহে মেদ থাকা কেন প্রয়োজন

দেহে অতিরিক্ত চর্বি যেমন স্থূলতার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে তেমনই অতিরিক্ত চর্বিহীনতাও দেহের জন্য ক্ষতিকর। ছবি: ম্যাগনিফিক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 09 Oct 2026, 07:37 PM

Updated : 09 Oct 2026, 07:37 PM

হরমোন নিঃসরণ থেকে শুরু করে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মানবদেহে চর্বি বা ফ্যাট। অথচ সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে ডায়েট সংস্কৃতিতে ফ্যাটকে দীর্ঘদিন ধরে কেবল শত্রু হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়ে আসছে।

‘শেডেড’ বা পেশিবহুল শারীরিক গঠনের নেশায় অনেকেই দেহের ফ্যাট কমিয়ে ফেলতে চান সর্বনিম্ন পর্যায়ে, যা আদতে স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিবিসি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেহে অতিরিক্ত চর্বি যেমন স্থূলতার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে তেমনই অতিরিক্ত চর্বিহীনতাও দেহের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর প্রবণতা জৈবিক ও সামাজিকভাবে মানুষের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

‘ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান’-এর এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ও মেডিসিনের অধ্যাপক এলিফ ওরাল বলেছেন, “আমাদের ফ্যাটকে ভালোবাসতে হবে। এটা দেহের গুরুত্বপূর্ণ কিছু জৈবিক কাজ পরিচালনা করে।”

তাহলে দেহের আসলে ঠিক কতটুকু চর্বি প্রয়োজন? আর দেহের চর্বি কেনই বা এত গুরুত্বপূর্ণ?

ফ্যাট কেন জরুরি?

ফ্যাট দুই ধরনের হয়, ডায়েটরি ফ্যাট (খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা চর্বি) ও বডি ফ্যাট (শরীরের ভেতর সঞ্চিত চর্বি)। মানুষ খাবার খাওয়ার সময় খাবার ভেঙে তা দেহের জ্বালানিতে পরিণত হয়।

অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করলে ‘অ্যাডিপোসাইট’ নামের ফ্যাট কোষগুলো সেই অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান জমিয়ে রাখে। ফলে ফ্যাট কোষের আকার বড় হয়। তবে ফ্যাট কেবল নিষ্ক্রিয়ভাবে জমা থাকে না, এটা সক্রিয় অঙ্গ হিসেবে দেহের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

সুইডেনের ‘ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট’-এর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল ফ্যাট টিস্যু রিসার্চের অধ্যাপক মিকেল রাইডেন বলেছেন, দেহের ফ্যাটকে বিশেষায়িত এক স্টোরেজ ভল্ট হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যা পর্যাপ্ত শক্তি থাকলে পুষ্টি উপাদান জমিয়ে রাখে ও প্রয়োজনের সময় তা সরবরাহ করে।

এ ছাড়া, ফ্যাট কোষ হরমোন উৎপাদন করে দেহের শক্তি ও ক্ষুধার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হরমোন ‘লেপটিন’।

অধ্যাপক এলিফ ওরাল বলেছেন, লেপটিন মস্তিষ্ককে সংকেত দেয় যে, দেহে পর্যাপ্ত শক্তি জমা আছে, যার ফলে প্রজনন ও রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতার মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক বিভিন্ন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। লেপটিনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্ক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে ও দেহের অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলো ব্যাহত হয়।

পাশাপাশি, দেহের তাপমাত্রা ধরে রাখতেও ফ্যাট গুরুত্বপূর্ণ। ‘হোয়াইট ফ্যাট’ অতিরিক্ত শক্তি জমানোর পাশাপাশি দেহের ভেতরের অংশ উষ্ণ রাখতে ইনসুলেশনের কাজ করে।

অন্যদিকে, ব্রাউন ও বেইজ ফ্যাটে এমন বিশেষ কোষ থাকে, যা তাপ উৎপন্ন করতে শক্তি পোড়ায় ও দেহকে সঠিক তাপমাত্রায় রাখতে সাহায্য করে।

দেহের মেদ অতিরিক্ত কমে গেলে কী হয়?

অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি যে স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর সে কথা কমবেশি সবাই জানেন। এর ফলে হৃদরোগ, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

তবে এর উল্টো দিকটিও সত্য যে, দেহে মেদের পরিমাণ অতিরিক্ত কমে যাওয়াও দেহের জন্য ভালো নয়।

‘ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান’-এর মেটাবলিক ডিজিজ নিয়ে গবেষণার সঙ্গে জড়িত গবেষক জেসিকা মাউং বলেছেন, অতিরিক্ত ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণের কারণে দেহের চর্বি যখন বিপজ্জনকভাবে কমে যায় তখন তা আমাদের স্বাস্থ্য ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

“দেহে অ্যাডিপোজ টিস্যু বা ফ্যাট টিস্যু খুব কম থাকলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরিক কার্যসক্ষমতা ব্যাহত হয়।”

দেহে চর্বির পরিমাণ কমে গেলে দেহ শক্তি বাঁচানোর চেষ্টা করে ও একরকম অনাহার বা ‘স্টারভেশন মোডে’ চলে যায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ দেহের বিভিন্ন সিস্টেম কাজ করা বন্ধ করে দিতে শুরু করে।

কোনো রিজার্ভ বা সঞ্চিত শক্তি না থাকায় দেহ তখন পেশি ভাঙতে শুরু করে। হাড় গঠন ও সারিয়ে ওঠার কাজও দেহের বন্ধ হয়ে যায়।

‘ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড’-এর মেটাবলিক মেডিসিনের অধ্যাপক ফ্রেডরিক কার্পে বলেছেন, এর ফলে দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে ও হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

“এটা কোনো সুস্থ পরিস্থিতি নয়, বিশেষ করে যখন গুরুতর কোনো সংক্রমণ বা জরুরি চিকিৎসাগত পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার মতো দেহের কোনো শক্তি অবশিষ্ট থাকে না।”

অতিরিক্ত চর্বিহীনতা আমাদের হরমোন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে।

যেসব পুরুষ চরম মাত্রায় খাবার কমিয়ে দিয়ে নিজেদের অতিরিক্ত রোগা করে ফেলেন, তাদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে, সেই সঙ্গে কমে যায় এনার্জি লেভেল ও শারীরিক সক্ষমতা।

আবার খুব কম বডি ফ্যাট রয়েছে এমন অনেক নারী অ্যাথলেটের অনিয়মিত ঋতুস্রাব বা তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্যবয়স বা বার্ধক্যে অতিরিক্ত ওজন বা মেদ গুরুতর অসুস্থতার সময় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

যেমন, স্থূলতায় ভোগা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকলেও একই রোগে আক্রান্ত কম মেদওয়ালা ব্যক্তিদের তুলনায় তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি কিছুটা কম হতে পারে, যাকে বলে ‘ওবিসিটি প্যারাডক্স’।

গবেষক এলিফ ওরাল বলেছেন, চর্বির একটি কুশন বা আস্তরণ দেহকে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও অন্যান্য তীব্র অসুস্থতা সহ্য করতে সাহায্য করে।

চরম ক্ষেত্রে, দেহে অতিরিক্ত চর্বিহীনতা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যেমন, ‘অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা’র মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গহানি বা মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে।

আসলে কতটুকু ফ্যাট প্রয়োজন?

দেহের ঠিক কতটুকু চর্বি রয়েছে তা মাপা বেশ কঠিন ও এর কোনো নির্দিষ্ট সর্বজনীন মাত্রা নেই। একেক জনের দেহের চাহিদা একেক রকম হয়ে থাকে।

এরপরও সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের দেহে সাধারণত ১০ থেকে ২০ শতাংশ ও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের দেহে প্রায় ২০ থেকে ২৯ শতাংশ বডি ফ্যাট থাকা স্বাভাবিক বলে ধরা হয়।

অন্যদিকে, স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বডি ফ্যাট ৩০ শতাংশের ওপরে থাকে। অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে বডি ফ্যাটের পরিমাণ কম হয়।

‘ডেট্রয়েটের ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটি’র স্পোর্টস পারফরম্যান্স গবেষক তামারা হিউ-বাটলার ও তার সহকর্মীরা ডেক্সা স্ক্যানারের মাধ্যমে ৭০০ জনেরও বেশি অ্যাথলেটের দেহ পরীক্ষা করে বলছেন, একজন অ্যাথলেটের দেহে সর্বনিম্ন বডি ফ্যাট মিলেছে পুরুষদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ ও নারীদের ক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ।

এ ছাড়া, দেহের কোথায় চর্বি জমছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ‘ভিসারাল ফ্যাট’ বা পেটের ভেতরের চর্বি অতিরিক্ত থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ত্বকের নিচের চর্বির বিপরীতে এই ভিসারাল ফ্যাট দেহের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে জড়িয়ে রাখে ও প্রদাহ তৈরিকারী রাসায়নিক পদার্থ ছড়ায়।

এটা রক্তচাপ বাড়িয়ে ইনসুলিনের কার্যসক্ষমতায় বাধা তৈরি করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কীভাবে মাপবেন দেহের মেদ?

দেহের চর্বি বা ফ্যাট পরিমাপের জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে নিখুঁত ও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় ডেক্সা ফুল বডি স্ক্যানের মাধ্যমে, যা বডি ফ্যাট, লিন মাসল মাস বা পেশি ও হাড়ের ভর আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারে। তবে এ পরীক্ষার জন্য বিশেষ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন, যা বেশ ব্যয়বহুল।

বাসায় ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ‘স্কিনফোল্ড টেস্ট’। বিশেষ এক ধরনের ‘ক্যালাপার্স’ দিয়ে ত্বকের ঠিক নিচের চর্বির স্তর চিমটি কেটে এর পুরুত্ব মাপা হয়।

তবে এই যন্ত্র দিয়ে দেহের নির্দিষ্ট কিছু অংশের ফ্যাটই কেবল মাপা সম্ভব, সরাসরি ভিসারাল ফ্যাট মাপা যায় না। পরীক্ষাটি খুব একটা নির্ভুল নয় ও অনেক সময় বিভ্রান্তিকরভাবে কম পরিমাপ দেখাতে পারে।

আরেকটি বিকল্প স্মার্ট স্কেল বা ডিজিটাল ওজনের মাপক যন্ত্র ব্যবহার করা। এগুলো দেহে মৃদু বৈদ্যুতিক প্রবাহ পাঠিয়ে ফ্যাটের পরিমাণ অনুমান করে। তবে দেহে তরলের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এই ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে বিধায় ফ্যাট মাপার ক্ষেত্রে এগুলোকে নির্ভরযোগ্য মনে করা হয় না।

এ ছাড়া, এগুলো দেহের কোথায় ফ্যাট জমা হচ্ছে বা ভিসারাল ফ্যাট ও সাধারণ ফ্যাটের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না।

আসলে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য দেহের ফ্যাটের মাত্রা নিখুঁতভাবে মাপার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে এমন দুটি সহজ মাপ রয়েছে, যা স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখতে ও ফ্যাট কোথায় জমা হচ্ছে তা ট্র্যাক করতে সাহায্য করতে পারে।

একটি সাধারণ ফিতা বা টেপ দিয়ে খুব দ্রুত ধারণা পাওয়া সম্ভব। ‘কোমর ও উচ্চতার অনুপাত’ দিয়ে একজন মানুষের উচ্চতার তুলনায় পেটে কী পরিমাণ কেন্দ্রীয় মেদ রয়েছে তা মাপা যায়।

কোমর পরিমাপের পর একটি অনলাইন ক্যালকুলেটরের সাহায্যে এই অনুপাত বের করা সম্ভব, যার একটি স্বাস্থ্যকর মাত্রা ০ দশমিক ৪ থেকে ০ দশমিক ৪৯ এর মধ্যে।

পাশাপাশি ‘কোমর ও নিতম্বের অনুপাত’ থেকেও ভালো ধারণা পাওয়া যায়। এটা বের করতে নাভি বরাবর চারপাশের মাপকে নিতম্বের সবচেয়ে চওড়া অংশের মাপ দিয়ে ভাগ করতে হবে (অথবা অনলাইন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন)।

পুরুষদের ক্ষেত্রে ০ দশমিক ৯০ ও নারীদের ক্ষেত্রে ০ দশমিক ৮৫ এর বেশি অনুপাতকে উচ্চ বলে বিবেচনা করা হয়। কারণ কোমর বা পেটের চর্বি বিপাকীয় বা মেটাবলিক স্বাস্থ্যের অবনতির লক্ষণ।

তবে বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই বডি ফ্যাটের সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারে না, কারণ এটি ফ্যাট ও পেশির পার্থক্য করতে পারে না। অনেক পেশিবহুল ও কম চর্বিওয়ালা মানুষেরও উচ্চ বিএমআই থাকতে পারে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের গঠন সম্পর্কে একটু বাড়তি সচেতন থাকা জরুরি। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং পেশি ও হাড়ের পরিমাণ কমতে পারে। ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে তাই সুষম খাবার খাওয়া, ব্যায়াম করা ও স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্যাট দেহে যে নানামুখী উপকার করে তা বোঝা উচিত। চরম মাত্রায় ফ্যাট কমানোর অন্ধ মোহে না ছুটে দেহের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ধরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

অধ্যাপক এলিফ ওরাল বলেছেন, “আমরা বিশ্বাস করি ফ্যাট একইসঙ্গে শক্তিশালী ও সুন্দর।”